এক সপ্তাহের মধ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে ফুয়েল পাস
জ্বালানি তেল বিতরণে শৃঙ্খলা আনা ও মজুত রোধে এক সপ্তাহের মধ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে ফুয়েল পাস চালু হচ্ছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সচিবালয়ে সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী এ তথ্য জানান। সরকার ফুয়েল পাস চালুর বিষয়টি বিবেচনা করছে। এটি কবে নাগাদ চালু হবে? জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা এরই মধ্যে একটা অ্যাপ ডেভেলপ করছি। আমরা এটা হয়তো সপ্তাহ খানেকের মধ্যে দুই একটি জায়গায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু করবো। আর জেলায় জেলা প্রশাসন কেউ কেউ তাদের মতো করে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে এটি চালু করেছে। যুগ্মসচিব বলেন, যেহেতু এ কাজ একটু কঠিন, কারণ আমি চাইলে সহজেই এতগুলো মানুষকে একসঙ্গে নিয়ে আসতে পারবো না একটি ছাতার নিচে। তাই আমরা হয়তো কোনো সুনির্দিষ্ট যানবাহনকে লক্ষ্য করে সপ্তাহখানেকের মধ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে (ফুয়েল পাস চালু) যেতে পারবো। আজ জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে না কমবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা (জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়) করা আমাদের প্রতি মাসের নিয়মিত কাজ। ওই নিয়মিত কাজটি আমরা করছি। আজ হয়তো সন্ধ্যার মধ্যে
জ্বালানি তেল বিতরণে শৃঙ্খলা আনা ও মজুত রোধে এক সপ্তাহের মধ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে ফুয়েল পাস চালু হচ্ছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সচিবালয়ে সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী এ তথ্য জানান।
সরকার ফুয়েল পাস চালুর বিষয়টি বিবেচনা করছে। এটি কবে নাগাদ চালু হবে? জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা এরই মধ্যে একটা অ্যাপ ডেভেলপ করছি। আমরা এটা হয়তো সপ্তাহ খানেকের মধ্যে দুই একটি জায়গায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু করবো। আর জেলায় জেলা প্রশাসন কেউ কেউ তাদের মতো করে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে এটি চালু করেছে।
যুগ্মসচিব বলেন, যেহেতু এ কাজ একটু কঠিন, কারণ আমি চাইলে সহজেই এতগুলো মানুষকে একসঙ্গে নিয়ে আসতে পারবো না একটি ছাতার নিচে। তাই আমরা হয়তো কোনো সুনির্দিষ্ট যানবাহনকে লক্ষ্য করে সপ্তাহখানেকের মধ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে (ফুয়েল পাস চালু) যেতে পারবো।
আজ জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে না কমবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা (জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়) করা আমাদের প্রতি মাসের নিয়মিত কাজ। ওই নিয়মিত কাজটি আমরা করছি। আজ হয়তো সন্ধ্যার মধ্যে আপনারা জেনে যাবেন।
এলএনজির বিষয়ে মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, এলএনজি নিয়েও চিন্তা করার কোনো কারণ নেই। এপ্রিল মাসে যা যা এলএনজি আসার কথা সেগুলোর সবই আসছে।
প্রতি মাসে এলপিজির চাহিদা গড়ে এক লাখ ৫০ হাজার টন জানিয়ে জ্বালানি খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র বলেন, ১ থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে এক লাখ ৭৪ হাজার ৮৯৪ টন এলএনজি এসেছে, তাহলে এ ক্ষেত্রেও কোনো শঙ্কা আমাদের ইনশা আল্লাহ নেই।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় হোম অফিস করা কিংবা ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে আপনারা সুপারিশ করছেন কি না? এ বিষয়ে জানতে চাইলে যুগ্ম সচিব বলেন, যার কাছে যে কথাগুলো আমরা পাচ্ছি আমরা নোট নিচ্ছি। আমাদের অভ্যন্তরীণ আলোচনা হচ্ছে। যখনই সবগুলো মন্ত্রণালয় মিলে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে আপনারা জেনে যাবেন, ইনশা আল্লাহ।
আরএমএম/এমআইএইচএস
What's Your Reaction?