এখনই সময় অসভ্যতাকে স্পষ্টভাবে ‘না’ বলার : মুশফিকুল আনসারী
সমাজে ক্রমবর্ধমান অসভ্যতা, অশ্রদ্ধা ও উগ্রতার বিরুদ্ধে এখনই দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী। তিনি বলেছেন, ‘দেশে আইনি সংস্কারের পাশাপাশি নিজেদের মন-মানসিকতার সংস্কার এবং অসভ্যতাকে স্পষ্টভাবে না বলার এখনই সময়।’ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল ৪টা ৫৪ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেন, ‘আধুনিকতার আড়ালে যে অস্বাস্থ্যকর মানসিকতা বিস্তার লাভ করছে, তা ব্যক্তি ও রাষ্ট্র উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর।’ তিনি বলেন, ‘ব্যবহারে বংশের পরিচয়’, এই প্রবাদ আজও সমান প্রাসঙ্গিক। সমাজের একটি ক্ষুদ্র অংশের আচরণ ও ভাষা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা আমাদের সামগ্রিক সামাজিক পরিবেশকে কলুষিত করছে। সংখ্যায় কম হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রভাব অনেক বেশি। এ ধরনের নেতিবাচক আচরণ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ফলে, বিদেশে আমাদের একটি অসহিষ্ণু ও অস্থির সমাজ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।’ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘মতপ্রকাশের
সমাজে ক্রমবর্ধমান অসভ্যতা, অশ্রদ্ধা ও উগ্রতার বিরুদ্ধে এখনই দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী। তিনি বলেছেন, ‘দেশে আইনি সংস্কারের পাশাপাশি নিজেদের মন-মানসিকতার সংস্কার এবং অসভ্যতাকে স্পষ্টভাবে না বলার এখনই সময়।’
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল ৪টা ৫৪ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেন, ‘আধুনিকতার আড়ালে যে অস্বাস্থ্যকর মানসিকতা বিস্তার লাভ করছে, তা ব্যক্তি ও রাষ্ট্র উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর।’
তিনি বলেন, ‘ব্যবহারে বংশের পরিচয়’, এই প্রবাদ আজও সমান প্রাসঙ্গিক। সমাজের একটি ক্ষুদ্র অংশের আচরণ ও ভাষা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা আমাদের সামগ্রিক সামাজিক পরিবেশকে কলুষিত করছে। সংখ্যায় কম হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রভাব অনেক বেশি। এ ধরনের নেতিবাচক আচরণ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ফলে, বিদেশে আমাদের একটি অসহিষ্ণু ও অস্থির সমাজ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে একটি গোষ্ঠী অপপ্রচার, গুজব ছড়ানো এবং আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরিতে জড়িত। সামান্য স্বার্থে বাধা পেলেই তারা মিথ্যা গল্প সাজিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ায়, যা সমাজে অস্থিরতা বাড়াচ্ছে।’
মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেন, ‘বর্তমানে ঝগড়া যেন বিনোদনের অংশ হয়ে উঠেছে। রগচটা আচরণকে ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেখা হচ্ছে। আর বিশৃঙ্খলাকে সাহসের পরিচয় হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে, যা উদ্বেগজনক।’
নারীর মর্যাদা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সমাজে নারীরা যেমন অসম্মানের শিকার হচ্ছেন, তেমনি কিছু পুরুষ শালীনতার কথা বললেও নিজেদের ভাষা ও আচরণে অশালীনতা প্রকাশ করছেন। আবার কিছু ক্ষেত্রে নারীরাও সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।’
মুশফিকুল আনসারী বলেন, ‘ইজ্জত-আব্রু কি কেবল নারীর জন্য? না, এটি নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য।’
সবশেষে শুধু আইনি সংস্কার নয়, প্রয়োজন মানসিকতার পরিবর্তন। সমাজে অসভ্যতা, উগ্রতা ও অশ্রদ্ধার বিরুদ্ধে এখনই সবাইকে সোচ্চার হতে হবে বলেও ওই পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।
What's Your Reaction?