এটাই আমার জীবনের সেরা ম্যাচ: পিএসজি কোচ

মঙ্গলবার প্যারিসে পাগলাটে এক লড়াই হলো পিএসজি এবং বায়ার্ন মিউনিখের মধ্যে। ৯ গোলের রুদ্ধশ্বাস এক থ্রিলার, যাতে ৫-৪ ব্যবধানে জিতলো পিএসজি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে সেমিফাইনালে এটিই ছিল সর্বোচ্চ গোলসংখ্যার ম্যাচ। এমনকি এটি নকআউট পর্বের ইতিহাসেও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলের ম্যাচের সঙ্গে যৌথভাবে অবস্থান করছে। এমন এক লড়াইকে নিজের কোচিং ক্যারিয়ারেরই সেরা ম্যাচ হিসেবে উল্লেখ করছেন পিএসজির হেড কোচ লুইস এনরিকে। এনরিকে এর আগে স্পেন জাতীয় দল এবং বার্সেলোনার কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বার্সেলোনায় তিনি লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ এবং নেইমারকে নিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছিলেন। তবুও তিনি বলেন, পার্ক দে প্রিন্সেসে যা দেখেছেন, তার সঙ্গে কিছুই তুলনীয় নয়। এনরিকে বলেন, ‘এত তীব্রতার ম্যাচ আমি আগে কখনো দেখিনি। এখন ভুল ধরার সময় নয়; সবার প্রশংসা করা উচিত। আমরা আজ জয়ের যোগ্য ছিলাম, ড্রয়েরও যোগ্য ছিলাম, এমনকি হারারও যোগ্য ছিলাম। এটি ছিল অসাধারণ একটি ম্যাচ। নিঃসন্দেহে, কোচ হিসেবে এটাই আমার জীবনের সেরা ম্যাচ।’ এই ম্যাচে পিএসজি ৫-২ গোলে এগিয়ে যায় দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই। তবে তিন গোল পিছিয়ে থেকেও বায়ার্ন

এটাই আমার জীবনের সেরা ম্যাচ: পিএসজি কোচ

মঙ্গলবার প্যারিসে পাগলাটে এক লড়াই হলো পিএসজি এবং বায়ার্ন মিউনিখের মধ্যে। ৯ গোলের রুদ্ধশ্বাস এক থ্রিলার, যাতে ৫-৪ ব্যবধানে জিতলো পিএসজি।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে সেমিফাইনালে এটিই ছিল সর্বোচ্চ গোলসংখ্যার ম্যাচ। এমনকি এটি নকআউট পর্বের ইতিহাসেও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলের ম্যাচের সঙ্গে যৌথভাবে অবস্থান করছে।

এমন এক লড়াইকে নিজের কোচিং ক্যারিয়ারেরই সেরা ম্যাচ হিসেবে উল্লেখ করছেন পিএসজির হেড কোচ লুইস এনরিকে।

এনরিকে এর আগে স্পেন জাতীয় দল এবং বার্সেলোনার কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বার্সেলোনায় তিনি লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ এবং নেইমারকে নিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছিলেন। তবুও তিনি বলেন, পার্ক দে প্রিন্সেসে যা দেখেছেন, তার সঙ্গে কিছুই তুলনীয় নয়।

এনরিকে বলেন, ‘এত তীব্রতার ম্যাচ আমি আগে কখনো দেখিনি। এখন ভুল ধরার সময় নয়; সবার প্রশংসা করা উচিত। আমরা আজ জয়ের যোগ্য ছিলাম, ড্রয়েরও যোগ্য ছিলাম, এমনকি হারারও যোগ্য ছিলাম। এটি ছিল অসাধারণ একটি ম্যাচ। নিঃসন্দেহে, কোচ হিসেবে এটাই আমার জীবনের সেরা ম্যাচ।’

এই ম্যাচে পিএসজি ৫-২ গোলে এগিয়ে যায় দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই। তবে তিন গোল পিছিয়ে থেকেও বায়ার্ন দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। যদিও শেষ পর্যন্ত পিএসজিই জেতে। কিন্তু এমন লড়াই দেখতে গিয়েও ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন এনরিকে।

তিনি বলেন, ‘আমি এতটাই ক্লান্ত, অথচ আমি এক কিলোমিটারও দৌড়াইনি। তাই খেলোয়াড়রা কেমন অনুভব করছে, তা আমি কল্পনাও করতে পারি না।’

পরের লেগ বায়ার্ন মিউনিখের মাঠে। আগামী সপ্তাহে কোনো সহজ ম্যাচ আশা করছেন না এনরিকে। তিনি বলেন, ‘আমি আমার স্টাফদের জিজ্ঞেস করেছিলাম-এই ম্যাচ জিততে আমাদের কত গোল লাগবে? তারা বলেছে-কমপক্ষে তিনটি। নিজেদের মাঠে বায়ার্ন আরও শক্তিশালী, কিন্তু আমরা একই মানসিকতা নিয়ে খেলতে চেষ্টা করব।’

এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow