‘এটি আমাদের দল নয়’—ইরানের বিশ্বকাপ ম্যাচ ঘিরে বিক্ষোভে উত্তাল লস অ্যাঞ্জেলেস

২০২৬ বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইরানের প্রথম ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগেই রাজনৈতিক উত্তেজনায় সরগরম হয়ে ওঠে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস। ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা আগে সোহাই স্টেডিয়ামের বাইরে শতাধিক ইরানি বংশোদ্ভূত সমর্থক জড়ো হয়ে ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা ও জাতীয় দলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভকারীদের অনেকের গায়ে ছিল ‘ইরান আমাদের তীর্থ, আমরা তা ফিরিয়ে নেব’ লেখা টি-শার্ট। হাতে ছিল বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড, পোস্টার ও পতাকা। তাদের মূল বার্তা ছিল স্পষ্ট—‘এটি আমাদের দল নয়।’ লস অ্যাঞ্জেলেসে প্রায় ১ লাখ ৬৬ হাজার ইরানি-আমেরিকানের বসবাস। এদের অধিকাংশই ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ইরান ছেড়ে যাওয়া পরিবারের উত্তরসূরি। ফলে বর্তমান ইরানি সরকারের প্রতি তাদের বিরূপ মনোভাব নতুন নয়। বিক্ষোভকারীদের একজন রবার্ট বলেন, ‘আমি ইরানি, কিন্তু আমি চাই নিউজিল্যান্ড জিতুক। এই দলটি জনগণের নয়, শাসকগোষ্ঠীর দল।’ স্টেডিয়ামের বাইরে অনেকেই ইরানের বিপ্লব-পূর্ব ‘সিংহ ও সূর্য’ প্রতীকযুক্ত পতাকা প্রদর্শনের চেষ্টা করেন। তাদের দাবি, এটিই ইরানের প্রকৃত জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক। তবে ফিফার নিয়ম অনুযায়ী এসব পতাকা স্টেডিয়ামের ভেতরে নেওয়া

‘এটি আমাদের দল নয়’—ইরানের বিশ্বকাপ ম্যাচ ঘিরে বিক্ষোভে উত্তাল লস অ্যাঞ্জেলেস

২০২৬ বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইরানের প্রথম ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগেই রাজনৈতিক উত্তেজনায় সরগরম হয়ে ওঠে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস। ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা আগে সোহাই স্টেডিয়ামের বাইরে শতাধিক ইরানি বংশোদ্ভূত সমর্থক জড়ো হয়ে ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা ও জাতীয় দলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।

বিক্ষোভকারীদের অনেকের গায়ে ছিল ‘ইরান আমাদের তীর্থ, আমরা তা ফিরিয়ে নেব’ লেখা টি-শার্ট। হাতে ছিল বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড, পোস্টার ও পতাকা। তাদের মূল বার্তা ছিল স্পষ্ট—‘এটি আমাদের দল নয়।’

লস অ্যাঞ্জেলেসে প্রায় ১ লাখ ৬৬ হাজার ইরানি-আমেরিকানের বসবাস। এদের অধিকাংশই ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ইরান ছেড়ে যাওয়া পরিবারের উত্তরসূরি। ফলে বর্তমান ইরানি সরকারের প্রতি তাদের বিরূপ মনোভাব নতুন নয়।

বিক্ষোভকারীদের একজন রবার্ট বলেন, ‘আমি ইরানি, কিন্তু আমি চাই নিউজিল্যান্ড জিতুক। এই দলটি জনগণের নয়, শাসকগোষ্ঠীর দল।’

স্টেডিয়ামের বাইরে অনেকেই ইরানের বিপ্লব-পূর্ব ‘সিংহ ও সূর্য’ প্রতীকযুক্ত পতাকা প্রদর্শনের চেষ্টা করেন। তাদের দাবি, এটিই ইরানের প্রকৃত জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক। তবে ফিফার নিয়ম অনুযায়ী এসব পতাকা স্টেডিয়ামের ভেতরে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আরেক ব্যক্তি রামিন বলেন, ‘আমরা বিশ্বকে দেখাতে চাই বর্তমান শাসনব্যবস্থা ইরানের জনগণকে প্রতিনিধিত্ব করে না। আমরা এই সরকারের বিরুদ্ধে।’

তবে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের প্রতি কিছুটা সহানুভূতিও প্রকাশ করেন তিনি। রামিনের ভাষায়, ‘বেশিরভাগ খেলোয়াড় হয়তো সরকারকে সমর্থন করতে চান না। কিন্তু তারা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে আছেন। তাদের সামনে খুব বেশি বিকল্প নেই।’

অন্যদিকে রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করেছে ইরান জাতীয় দল। ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে স্ট্রাইকার মেহদি তারেমি বলেন, ‘আমরা এখানে রাজনীতি করতে আসিনি, আমরা ফুটবল খেলতে এসেছি।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow