অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় পেল বাংলাদেশ 

অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডেতে দীর্ঘ ২১ বছর পর জয় পেল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃষ্টি আইনে ৮৬ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে টাইগাররা। এর আগে ২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। দেশের মাটিতে এই প্রথমবারের মতো অসিদের বিপক্ষে জয় পেল স্বাগতিকরা। মঙ্গলবার টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ৮ উইকেটে ২৮৪ রান সংগ্রহ করে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, যিনি ৭০ বলে ৭টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৮৪ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন। এছাড়া নাজমুল হোসেন শান্ত ৬৭ রান এবং তানজিদ হাসান তামিম ৫৪ রান করেন। তাদের ব্যাটিং দৃঢ়তায় বড় সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধস নামে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে। মাত্র ২ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা। তাসকিন আহমেদ প্রথম আঘাত হানেন, ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হন ম্যাথিউ শর্ট। এরপর মোস্তাফিজুর রহমান এলবিডব্লিউ করেন মার্নাস লাবুশেনকে। অধিনায়ক জশ ইংলিস, কুপার কনোলি ও অ্যালেক্স ক্যারির কিছু প্রতিরোধ সত্ত্বেও ৪২.২ ওভারে ৯ উইকেটে ১৯১ রানেই থেমে যায় অস্ট

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় পেল বাংলাদেশ 

অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডেতে দীর্ঘ ২১ বছর পর জয় পেল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃষ্টি আইনে ৮৬ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে টাইগাররা।

এর আগে ২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। দেশের মাটিতে এই প্রথমবারের মতো অসিদের বিপক্ষে জয় পেল স্বাগতিকরা।

মঙ্গলবার টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ৮ উইকেটে ২৮৪ রান সংগ্রহ করে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, যিনি ৭০ বলে ৭টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৮৪ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন।

এছাড়া নাজমুল হোসেন শান্ত ৬৭ রান এবং তানজিদ হাসান তামিম ৫৪ রান করেন। তাদের ব্যাটিং দৃঢ়তায় বড় সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধস নামে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে। মাত্র ২ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা। তাসকিন আহমেদ প্রথম আঘাত হানেন, ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হন ম্যাথিউ শর্ট। এরপর মোস্তাফিজুর রহমান এলবিডব্লিউ করেন মার্নাস লাবুশেনকে।

অধিনায়ক জশ ইংলিস, কুপার কনোলি ও অ্যালেক্স ক্যারির কিছু প্রতিরোধ সত্ত্বেও ৪২.২ ওভারে ৯ উইকেটে ১৯১ রানেই থেমে যায় অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। কনোলি ৩৫ এবং ক্যারি ৪৭ রান করেন।

এরপর বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ হয়ে গেলে ডাকওয়ার্থ–লুইস (DLS) পদ্ধতিতে বাংলাদেশকে ৮৬ রানে জয়ী ঘোষণা করা হয়।

এই জয়ের মাধ্যমে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে আত্মবিশ্বাসী অবস্থানে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ দল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow