অস্ট্রেলিয়ার ২৩১ রানই টপকাতে পারলো না পাকিস্তান, সিরিজে সমতা

নাথান এলিসের ক্যারিয়ারসেরা বোলিং নৈপুণ্যে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে ৪১ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে সমতা ফেরাল অস্ট্রেলিয়া। বুধবার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে এলিস ৯ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এই জয় অস্ট্রেলিয়ার জন্য আরও বিশেষ হয়ে ওঠে কারণ তারা তুলনামূলকভাবে অনভিজ্ঞ দল নিয়ে স্পিন-সহায়ক উইকেটে শক্তিশালী পাকিস্তানকে পরাজিত করেছে। প্রথম ওয়ানডের তুলনায় লাহোরের টার্নিং ট্র্যাকে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটাররা অনেক বেশি স্বচ্ছন্দে খেলেন। তারা পুরো ৫০ ওভার ব্যাট করে ২৩১ রান সংগ্রহ করে এবং পাকিস্তানের সামনে ২৩২ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায়। স্পিন ও অনিয়মিত বাউন্সের কারণে এই লক্ষ্য সহজ ছিল না। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। এলিস ও ম্যাট কুহনেমান প্রথম দুই ওভারেই দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দেন। এরপর অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা ধারাবাহিক আঘাত হেনে মাত্র ৫৮ রানের মধ্যে পাকিস্তানের ৫ উইকেট তুলে নেন। বাবর আজম ফেরেন ১৬ রানেই। দলের বিপর্যয়ের মধ্যেও লড়াই চালিয়ে যান শাদাব খান। তিনি ১০৪ বলে ৭১ রানের সাহসী ইনিংস খেললে এক পর্য

অস্ট্রেলিয়ার ২৩১ রানই টপকাতে পারলো না পাকিস্তান, সিরিজে সমতা

নাথান এলিসের ক্যারিয়ারসেরা বোলিং নৈপুণ্যে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে ৪১ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে সমতা ফেরাল অস্ট্রেলিয়া। বুধবার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে এলিস ৯ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

এই জয় অস্ট্রেলিয়ার জন্য আরও বিশেষ হয়ে ওঠে কারণ তারা তুলনামূলকভাবে অনভিজ্ঞ দল নিয়ে স্পিন-সহায়ক উইকেটে শক্তিশালী পাকিস্তানকে পরাজিত করেছে।

প্রথম ওয়ানডের তুলনায় লাহোরের টার্নিং ট্র্যাকে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটাররা অনেক বেশি স্বচ্ছন্দে খেলেন। তারা পুরো ৫০ ওভার ব্যাট করে ২৩১ রান সংগ্রহ করে এবং পাকিস্তানের সামনে ২৩২ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায়। স্পিন ও অনিয়মিত বাউন্সের কারণে এই লক্ষ্য সহজ ছিল না।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। এলিস ও ম্যাট কুহনেমান প্রথম দুই ওভারেই দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দেন। এরপর অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা ধারাবাহিক আঘাত হেনে মাত্র ৫৮ রানের মধ্যে পাকিস্তানের ৫ উইকেট তুলে নেন। বাবর আজম ফেরেন ১৬ রানেই।

দলের বিপর্যয়ের মধ্যেও লড়াই চালিয়ে যান শাদাব খান। তিনি ১০৪ বলে ৭১ রানের সাহসী ইনিংস খেললে এক পর্যায়ে জয়ের আশাও জেগেছিল পাকিস্তানের। তবে অন্য প্রান্তে নিয়মিত উইকেট পড়তে থাকায় তার প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়। শাদাবই ছিলেন পাকিস্তানের শেষ ব্যাটার, যিনি স্টাম্পড হয়ে আউট হন।

শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান ৪৪ ওভারে ১৯০ রানে অলআউট হয় এবং অস্ট্রেলিয়া ৪১ রানের গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নেয়।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ২৩১ রান তুলেছিল অস্ট্রেলিয়া। জশ ইংলিশ ৫১, ক্যামেরন গ্রিন ৫৩ আর ম্যাট রেনশ খেলেন ৪৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস।

পাকিস্তানের শাহিন শাহ আফ্রিদি ৩টি এবং আরাফাত মিনহাস, হারিস রউফ আর আবরার আহমেদ নেন ২টি করে উইকেট।

এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow