এফবিআই তদন্তের মুখে মার্কিন পরিবেশ সংগঠন ‘এক্সটিঙ্কশন রেবেলিয়ন’

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন ‘এক্সটিঙ্কশন রেবেলিয়ন’ এর বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)। পরিবেশবাদী সংগঠন ‘এক্সটিঙ্কশন রেবেলিয়ন’ জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল তদন্তের আওতায় রয়েছে। গত এক বছরে তাদের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে এফবিআই যোগাযোগ করেছে। সংগঠনটির দাবি, কিছু ক্ষেত্রে এফবিআইয়ের ‘জয়েন্ট টেরোরিজম টাস্কফোর্স’-এর সদস্যরাও জড়িত ছিলেন। সংগঠনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৬ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্ক সিটির বাইরে বসবাসরত সংগঠনের এক সাবেক সদস্যের বাড়িতে এফবিআইয়ের দুই বিশেষ এজেন্ট যান। তারা ওই ব্যক্তির নিউইয়র্ক শাখার সঙ্গে সম্পৃক্ততা সম্পর্কে জানতে চান। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সব প্রশ্ন তার আইনজীবীর কাছে পাঠিয়ে দেন। এছাড়া ২০২৫ সালের মার্চে বোস্টন শাখার সঙ্গে যুক্ত অন্তত ছয়জন পরিবেশ কর্মীর সঙ্গে এফবিআই যোগাযোগের চেষ্টা করে বলে সংগঠনটি জানিয়েছে। তবে পরে আর যোগাযোগ করা হয়নি। এফবিআই এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেছে, বিচার বিভাগের নীতিমালা অনুযায়ী তারা নির্দিষ্ট তদন্তাধীন কোনো বিষয় সম্পর্কে মন্তব্য করা সম্ভব নয়। মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন,

এফবিআই তদন্তের মুখে মার্কিন পরিবেশ সংগঠন ‘এক্সটিঙ্কশন রেবেলিয়ন’

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন ‘এক্সটিঙ্কশন রেবেলিয়ন’ এর বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)।

পরিবেশবাদী সংগঠন ‘এক্সটিঙ্কশন রেবেলিয়ন’ জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল তদন্তের আওতায় রয়েছে। গত এক বছরে তাদের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে এফবিআই যোগাযোগ করেছে।

সংগঠনটির দাবি, কিছু ক্ষেত্রে এফবিআইয়ের ‘জয়েন্ট টেরোরিজম টাস্কফোর্স’-এর সদস্যরাও জড়িত ছিলেন।

সংগঠনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৬ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্ক সিটির বাইরে বসবাসরত সংগঠনের এক সাবেক সদস্যের বাড়িতে এফবিআইয়ের দুই বিশেষ এজেন্ট যান। তারা ওই ব্যক্তির নিউইয়র্ক শাখার সঙ্গে সম্পৃক্ততা সম্পর্কে জানতে চান। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সব প্রশ্ন তার আইনজীবীর কাছে পাঠিয়ে দেন।

এছাড়া ২০২৫ সালের মার্চে বোস্টন শাখার সঙ্গে যুক্ত অন্তত ছয়জন পরিবেশ কর্মীর সঙ্গে এফবিআই যোগাযোগের চেষ্টা করে বলে সংগঠনটি জানিয়েছে। তবে পরে আর যোগাযোগ করা হয়নি।

এফবিআই এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেছে, বিচার বিভাগের নীতিমালা অনুযায়ী তারা নির্দিষ্ট তদন্তাধীন কোনো বিষয় সম্পর্কে মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিশেষ করে গাজায় ইসরায়েলি অভিযানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, জলবায়ু নীতির সমালোচনা এবং অভিবাসন নীতির বিরোধিতাকারী সংগঠনগুলোর ওপর প্রশাসনের কঠোর অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

‘এক্সটিঙ্কশন রেবেলিয়ন’ নিজেদের একটি ‘বিকেন্দ্রীভূত, আন্তর্জাতিক ও রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ’ আন্দোলন হিসেবে পরিচয় দেয়। তারা জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় অহিংস অসহযোগ আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানায়। সুইডেনের জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ অতীতে এই সংগঠনটির কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
কেএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow