এবার ঢাকা বোর্ডেও এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবি

ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট বন্যার জেরে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন পাঁচ জেলায় ১৬ জুলাই পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এদিকে, টানা বৃষ্টিতে রাজধানীসহ ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীন জেলাগুলোতেও জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এমন দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে এই বোর্ডের সোমবারের (১৩ জুলাই) এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষাও স্থগিত করার দাবি তুলেছেন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। পরীক্ষার্থীরা জানান, বৃষ্টিপাতের কারণে রাস্তায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি অনেক এলাকায় লোডশেডিং হচ্ছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আরও বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সোমবারের পরীক্ষা স্থগিত করার দাবি করছেন তারা। উত্তরার একটি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন সোহা খাতুন। তিনি রোববার (১২ জুলাই) ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘কী একটা সিচুয়েশন। টানা বৃষ্টি। রাস্তায় জলাবদ্ধতা। বাসায় বিদ্যুৎ নেই। পড়ালেখার উপায়ও নেই। কিন্তু আগামীকাল পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষায় বসতে হবে। বৈরী আবহাওয়ার বিষয়টি কি শিক্ষামন্ত্রীর চোখে পড়ছে না?’ পুরান ঢাকার একটি কলেজের পরীক্ষার্থী মোস্তফা কায়সার সানি লিখেছেন, ‘সারাদেশে বৃষ্টি হচ্ছে।

এবার ঢাকা বোর্ডেও এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবি

ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট বন্যার জেরে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন পাঁচ জেলায় ১৬ জুলাই পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

এদিকে, টানা বৃষ্টিতে রাজধানীসহ ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীন জেলাগুলোতেও জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এমন দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে এই বোর্ডের সোমবারের (১৩ জুলাই) এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষাও স্থগিত করার দাবি তুলেছেন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

পরীক্ষার্থীরা জানান, বৃষ্টিপাতের কারণে রাস্তায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি অনেক এলাকায় লোডশেডিং হচ্ছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আরও বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সোমবারের পরীক্ষা স্থগিত করার দাবি করছেন তারা।

উত্তরার একটি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন সোহা খাতুন। তিনি রোববার (১২ জুলাই) ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘কী একটা সিচুয়েশন। টানা বৃষ্টি। রাস্তায় জলাবদ্ধতা। বাসায় বিদ্যুৎ নেই। পড়ালেখার উপায়ও নেই। কিন্তু আগামীকাল পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষায় বসতে হবে। বৈরী আবহাওয়ার বিষয়টি কি শিক্ষামন্ত্রীর চোখে পড়ছে না?’

পুরান ঢাকার একটি কলেজের পরীক্ষার্থী মোস্তফা কায়সার সানি লিখেছেন, ‘সারাদেশে বৃষ্টি হচ্ছে। ঢাকার যদি এ অবস্থা হয়, তাহলে দেশের অন্য জেলাগুলোর অবস্থাও খারাপ। শুধু চট্টগ্রামের পরীক্ষা স্থগিত না করে সব বোর্ডের পরীক্ষা অন্তত এক সপ্তাহের মতো স্থগিত করে রাখা উচিত। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি, শিক্ষার্থীদের মানসিক অবস্থাটাও বুঝেন। দুর্যোগের মধ্যে পরীক্ষায় বসায়েন না।’

এ নিয়ে কথা হলে সরকারি বিজ্ঞান কলেজের এক পরীক্ষার্থীর মা রেহানা খাতুন জাগো নিউজকে বলেন, ‘ছেলেটা শনিবার আইসিটি পরীক্ষা দিয়ে ফেরার পথে ঝুম বৃষ্টিতে ভিজে গেছে। রাতেই জ্বর। এ জ্বর নিয়ে আবার আগামীকাল পরীক্ষা দিতে হবে। যেভাবে বৃষ্টি হচ্ছে, রাস্তায় পানি। ভিজে ভিজে আবার পরীক্ষা দিতে গেলে তো আরও অসুস্থ হয়ে পড়বে। শিক্ষা বোর্ডের উচিত বিষয়গুলো মাথায় নিয়ে একটা ব্যবস্থা নেওয়া।’

মোহাম্মদপুরের এক পরীক্ষার্থীর অভিভাবক রিপন হাসান বলেন, ‘বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে রাস্তায় যানজট হচ্ছে। যানবাহনের সংকটও দেখা দেয়। হাতে সময় নিয়ে বের হয়েও কেন্দ্রে পৌঁছাতে হিমশিম অবস্থা। এমন খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে পরীক্ষা না নিলেই ভালো হয়।’

বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রামে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত থাকলেও ঢাকাসহ বাকি আটটি সাধারণ বোর্ডের অধীন জেলাগুলোতে পরীক্ষা চলছে। এসব জেলায় মাদরাসা বোর্ডের অধীন আলিম এবং কারিগরি বোর্ডের এইচএসসি (বিএমটি) পরীক্ষাও নেওয়া হচ্ছে।

সময়সূচি অনুযায়ী সোমবার সাধারণ বোর্ডগুলোতে পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্র, হিসাববিজ্ঞান প্রথমপত্র ও যুক্তিবিদ্যা প্রথমপত্র পরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে।

এএএইচ/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow