এবার ব্রাজিলের আরও কাছে চলে গেল আর্জেন্টিনা

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে এসে কেপ ভার্দে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিল বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে। তবে শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা ও দৃঢ়তার পরীক্ষায় উতরে গিয়ে ৩-২ গোলের রুদ্ধশ্বাস জয় তুলে নেয় লিওনেল স্কালোনির দল। এই জয়ে শুধু শেষ ষোলোর টিকিটই নিশ্চিত হয়নি, বিশ্বকাপের ইতিহাসেও নতুন মাইলফলক গড়েছে আলবিসেলেস্তেরা। ২০২৬ বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ কেপ ভার্দেকে হারানোর মাধ্যমে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শেষ ষোলোয় খেলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১-তে। ফলে স্পেন ও জার্মানিকে পেছনে ফেলে এককভাবে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে তারা। বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বার শেষ ষোলোয় খেলার রেকর্ড এখনো ব্রাজিলের দখলে। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এ পর্যন্ত ১৩ বার এই পর্যায়ে জায়গা করে নিয়েছে। আর্জেন্টিনা এখন সেই রেকর্ড থেকে মাত্র দুই ধাপ দূরে। এর আগে ১০ বার করে শেষ ষোলোয় খেলে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে ছিল আর্জেন্টিনা, স্পেন ও জার্মানি। চলতি আসরে স্পেনও নিজেদের সংখ্যা ১০-এ উন্নীত করে। তবে প্যারাগুয়ের কাছে হেরে জার্মানির বিদায় ঘটায় তারা আর এগোতে পারেনি। অন্যদিকে কেপ ভার্দের বিপক্ষে জয় আর্জেন্টিনাকে এনে দিয়েছে একক দ্বিতীয় স্থান।

এবার ব্রাজিলের আরও কাছে চলে গেল আর্জেন্টিনা

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে এসে কেপ ভার্দে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিল বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে। তবে শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা ও দৃঢ়তার পরীক্ষায় উতরে গিয়ে ৩-২ গোলের রুদ্ধশ্বাস জয় তুলে নেয় লিওনেল স্কালোনির দল। এই জয়ে শুধু শেষ ষোলোর টিকিটই নিশ্চিত হয়নি, বিশ্বকাপের ইতিহাসেও নতুন মাইলফলক গড়েছে আলবিসেলেস্তেরা।

২০২৬ বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ কেপ ভার্দেকে হারানোর মাধ্যমে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শেষ ষোলোয় খেলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১-তে। ফলে স্পেন ও জার্মানিকে পেছনে ফেলে এককভাবে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে তারা।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বার শেষ ষোলোয় খেলার রেকর্ড এখনো ব্রাজিলের দখলে। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এ পর্যন্ত ১৩ বার এই পর্যায়ে জায়গা করে নিয়েছে। আর্জেন্টিনা এখন সেই রেকর্ড থেকে মাত্র দুই ধাপ দূরে।

এর আগে ১০ বার করে শেষ ষোলোয় খেলে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে ছিল আর্জেন্টিনা, স্পেন ও জার্মানি। চলতি আসরে স্পেনও নিজেদের সংখ্যা ১০-এ উন্নীত করে। তবে প্যারাগুয়ের কাছে হেরে জার্মানির বিদায় ঘটায় তারা আর এগোতে পারেনি। অন্যদিকে কেপ ভার্দের বিপক্ষে জয় আর্জেন্টিনাকে এনে দিয়েছে একক দ্বিতীয় স্থান।

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ধারাবাহিক সাফল্যের ইতিহাসও বেশ সমৃদ্ধ। ১৯৩৪, ১৯৮৬, ১৯৯০, ১৯৯৪, ১৯৯৮, ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬—এই ১১টি আসরে শেষ ষোলোয় খেলেছে তারা।

তবে এই পরিসংখ্যানের পেছনে রয়েছে কিছু ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটও। ১৯৩৮, ১৯৫০ ও ১৯৫৪ সালের বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি আর্জেন্টিনা। আবার ১৯৮২ সালের আগে বর্তমানের মতো রাউন্ড অব ১৬ বা শেষ ষোলোর নকআউট ফরম্যাটও ছিল না।

বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পর মাত্র একবারই শেষ ষোলোয় উঠতে ব্যর্থ হয়েছিল আর্জেন্টিনা। ২০০২ সালে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের। এরপর আর কখনো শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়নি আলবিসেলেস্তেরা।

চলতি বিশ্বকাপে ইতোমধ্যে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে, মরক্কো, স্পেন, পর্তুগাল, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, নরওয়ে, মেক্সিকো, ইংল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, বেলজিয়াম, মিশর ও আর্জেন্টিনা। ফলে নকআউট পর্বে শিরোপার লড়াই আরও জমে উঠেছে।

এদিকে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ মিশর। সেই বাধা পেরিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনালের পথে এগিয়ে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বার শেষ ষোলোয় খেলার তালিকায় ব্রাজিলের ১৩ বারের রেকর্ডও এখন নাগালের মধ্যেই চলে এসেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow