এবার সাইপ্রাসে ব্রিটিশ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

সাইপ্রাসে অবস্থিত ব্রিটেনের রয়্যাল এয়ার ফোর্সের আক্রোতিরি বিমানঘাঁটিতে রাতের আঁধারে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দেশটির প্রেসিডেন্ট এবং ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, হামলায় সীমিত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ১৯৮৬ সালে লিবীয় জঙ্গিদের রকেট হামলার পর এই প্রথমবারের মতো ব্রিটিশ সামরিক স্থাপনায় এমন হামলার ঘটনা ঘটল। বিশ্লেষকদের মতে, এটি চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার একটি বড় ধরনের উসকানি বা উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত। সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট নিকোস ক্রিস্টোডোলিডেস এক বক্তব্যে বলেন, “প্রজাতন্ত্রের সব সংশ্লিষ্ট সেবা সংস্থা সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং পূর্ণ প্রস্তুতিতে আছে।” তিনি জানান, ইরানে নির্মিত শাহেদ-ধরনের একটি ড্রোন রাত ১২টা ০৩ মিনিটে সামরিক স্থাপনায় আছড়ে পড়ে সামান্য ক্ষয়ক্ষতি ঘটায়। তবে ড্রোনটি কোথা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ব্রিটিশ ঘাঁটি আরেকটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টোদুলিদেস জোর দিয়ে বলেন, “আমাদের দেশ কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেয়নি এবং অংশ নেওয়ার কোনো ইচ্ছাও নেই।” আক্রোতিরি ঘাঁটি

এবার সাইপ্রাসে ব্রিটিশ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

সাইপ্রাসে অবস্থিত ব্রিটেনের রয়্যাল এয়ার ফোর্সের আক্রোতিরি বিমানঘাঁটিতে রাতের আঁধারে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দেশটির প্রেসিডেন্ট এবং ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, হামলায় সীমিত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

১৯৮৬ সালে লিবীয় জঙ্গিদের রকেট হামলার পর এই প্রথমবারের মতো ব্রিটিশ সামরিক স্থাপনায় এমন হামলার ঘটনা ঘটল। বিশ্লেষকদের মতে, এটি চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার একটি বড় ধরনের উসকানি বা উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত।

সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট নিকোস ক্রিস্টোডোলিডেস এক বক্তব্যে বলেন, “প্রজাতন্ত্রের সব সংশ্লিষ্ট সেবা সংস্থা সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং পূর্ণ প্রস্তুতিতে আছে।”

তিনি জানান, ইরানে নির্মিত শাহেদ-ধরনের একটি ড্রোন রাত ১২টা ০৩ মিনিটে সামরিক স্থাপনায় আছড়ে পড়ে সামান্য ক্ষয়ক্ষতি ঘটায়। তবে ড্রোনটি কোথা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ব্রিটিশ ঘাঁটি আরেকটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।

প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টোদুলিদেস জোর দিয়ে বলেন, “আমাদের দেশ কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেয়নি এবং অংশ নেওয়ার কোনো ইচ্ছাও নেই।”

আক্রোতিরি ঘাঁটি, যা দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় শহর লিমাসোলের কাছে অবস্থিত, সাইপ্রাসের স্বাধীনতার পর ১৯৬০ সাল থেকে ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রণে থাকা দুটি ঘাঁটির একটি। ঘাঁটিতে সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি কর্মরত সদস্যদের পরিবারও বসবাস করে।

ঘাঁটি কর্তৃপক্ষ জানায়, সন্দেহজনক ড্রোন আঘাতের পর আক্রোতিরির আশপাশের বাসিন্দাদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে বলা হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হবে, তবে অন্যান্য ব্রিটিশ স্থাপনা স্বাভাবিকভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।

অতীতে ইরাক, সিরিয়া ও ইয়েমেনে সামরিক অভিযানে ব্যবহৃত হয়েছে আক্রোতিরি ঘাঁটি।

রোববার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার জানান, সংরক্ষিত ডিপো বা উৎক্ষেপণস্থলে থাকা ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে ব্রিটেন তার ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow