এমপির নাম নিচে হওয়ায় সমালোচনার মুখে জেলা পরিষদ প্রশাসক
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার বালিখলা ফেরিঘাটে নির্মিতব্য যাত্রী ছাউনির উদ্বোধনী ফলকে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের সংসদ সদস্য ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুকের নাম জেলা পরিষদের প্রশাসকের নামের নিচে স্থান দেয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) দুপুরে জেলা পরিষদের অর্থায়নে নির্মিতব্য যাত্রী ছাউনির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান। তবে উদ্বোধনী ফলকে সংসদ সদস্যের নাম জেলা পরিষদ প্রশাসকের নামের নিচে উল্লেখ করা হয়। বিষয়টি নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম (ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স) অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্যের অবস্থান জেলা পরিষদের প্রশাসকের চেয়ে উচ্চ পর্যায়ে। সে হিসেবে উদ্বোধনী ফলকে সংসদ সদস্যের নাম যথাযথ মর্যাদায় উপরের দিকে থাকা উচিত ছিল। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে অনুষ্ঠানে ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক উপস্থিত ছিলেন না। তাকে না জানিয়েই ফলকে তার নাম ব্যবহার করা হয়। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএ
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার বালিখলা ফেরিঘাটে নির্মিতব্য যাত্রী ছাউনির উদ্বোধনী ফলকে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের সংসদ সদস্য ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুকের নাম জেলা পরিষদের প্রশাসকের নামের নিচে স্থান দেয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) দুপুরে জেলা পরিষদের অর্থায়নে নির্মিতব্য যাত্রী ছাউনির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান। তবে উদ্বোধনী ফলকে সংসদ সদস্যের নাম জেলা পরিষদ প্রশাসকের নামের নিচে উল্লেখ করা হয়। বিষয়টি নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম (ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স) অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্যের অবস্থান জেলা পরিষদের প্রশাসকের চেয়ে উচ্চ পর্যায়ে। সে হিসেবে উদ্বোধনী ফলকে সংসদ সদস্যের নাম যথাযথ মর্যাদায় উপরের দিকে থাকা উচিত ছিল।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে অনুষ্ঠানে ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক উপস্থিত ছিলেন না। তাকে না জানিয়েই ফলকে তার নাম ব্যবহার করা হয়। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপি'র নেতাদেরও অবহিত করা হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।
তবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল আমিন উজ্জ্বলসহ সদর উপজেলা বিএনপির কয়েকজন নেতা।
নামফলক ঘিরে বিতর্কের বিষয়ে করিমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিজুল ইসলাম দুলাল বলেন, "আমরা কোনো অবস্থাতেই এটিকে ভালোভাবে দেখছি না।" তিনি আরো বলেন, "ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক শুধু একজন সংসদ সদস্য নন, তিনি সাবেক শিক্ষামন্ত্রীও। উদ্বোধনী ফলকে তার নাম যে অবস্থানে রাখা হয়েছে, তা তার রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিষয়টি আমাদের ব্যাথিত করেছে।"
উল্লেখ্য, এর আগেও জেলা পরিষদের অর্থায়নে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহে নির্মিতব্য তোরণের উদ্বোধনী নামফলকে কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলামের নাম নিচে রাখা হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে তখনও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা সদর বিএনপির সভাপতি খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।
What's Your Reaction?