এমপি আয়নুল হকের ওপর হামলার ঘটনায় বিএনপি-জামায়াতের নিন্দা
সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ভিপি আয়নুল হকের ওপর হামলা ও তার গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় জেলা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী পৃথকভাবে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত ১০ টার দিকে জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি শহিদুল ইসলামের সইকরা পৃথক বিবৃতিতে এই নিন্দা জানানো হয়। বিএনপির বিবৃতিতে বলা হয়, ছাত্র রাজনীতি থেকে তিলতিল করে গড়ে ওঠা আপাদমস্তক একজন রাজনীতিবিদ, জেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ও সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্যের ওপর জামাত-শিবির ও এনসিপির সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। এ ঘটনায় জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুসহ জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তি জামাত-শিবির ও এনসিপির নব্য সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। অপরদিকে জামায়াতের বিবৃতিতে বলা হয়, একজন জনপ্রতিনিধির ওপর এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত হামলাকারীদের দ্রুত
সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ভিপি আয়নুল হকের ওপর হামলা ও তার গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় জেলা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী পৃথকভাবে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত ১০ টার দিকে জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি শহিদুল ইসলামের সইকরা পৃথক বিবৃতিতে এই নিন্দা জানানো হয়।
বিএনপির বিবৃতিতে বলা হয়, ছাত্র রাজনীতি থেকে তিলতিল করে গড়ে ওঠা আপাদমস্তক একজন রাজনীতিবিদ, জেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ও সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্যের ওপর জামাত-শিবির ও এনসিপির সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। এ ঘটনায় জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুসহ জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তি জামাত-শিবির ও এনসিপির নব্য সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
অপরদিকে জামায়াতের বিবৃতিতে বলা হয়, একজন জনপ্রতিনিধির ওপর এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত ও অবিলম্বে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে, তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে এসে কোনো প্রমাণ ছাড়াই জামায়াত-শিবিরকে দায়ী করে বক্তব্য দিচ্ছেন- এ ধরনের ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগেরও তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে উপস্থাপন করা উচিৎ। কিন্তু মিথ্যা, অনুমাননির্ভর বা উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশ অস্থিতিশীল করা কারও কাম্য নয়। আমরা চাই, এ হামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হোক, প্রকৃত অপরাধীরা আইনের আওতায় আসুক এবং নিরপরাধ কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনকে হয়রানি করা না হোক।
এর আগে সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার ধানগড়া বাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে এমপি আয়নুল হক দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে তার সঙ্গে গাড়িতে থাকা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা ফয়সাল বিশ্বাসের ফেসবুক লাইভে যুক্ত হন। এতে ভিপি আইনুল হক অভিযোগ করে বলেন, আমি এমপি হওয়ার পর জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য কাজ করছি।

এমপি আয়নুল হকের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর
টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) জনগণ যেখানে চাইবে, সেখানেই হবে। আমি সরকার দলীয় একজন এমপি হওয়ার পরেও আমার ওপরে দুষ্কৃতকারী ও জামায়াত শিবিরের সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা করেছে। তিনি দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি করেন। ওই ফেসবুক লাইভে এমপির গাড়িতে থাকা ফয়সাল বিশ্বাস জামায়াতে ইসলাম, ছাত্রশিবির ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা এমপির গাড়িবহরে হামলা করেছে বলে অভিযোগ করেন।
স্থানীয়রা বলছেন, উপজেলায় একটি সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) স্থাপিত হবে। এটি স্থাপনের জন্য জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো নিদিষ্ট জায়গা চেয়েছেন। শর্ত অনুযায়ী উপজেলা পরিষদের নিকটতম স্থানে জায়গা নির্ধারণের কথা বলা হলেও এমপি তার নিজ এলাকা চান্দাইকোলায় স্থাপনের জন্য একটি ডিও লেটার দিয়েছেন। এটা নিয়ে ধানগড়াসহ উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নবাসী ক্ষুব্ধ।
তাদের দাবি, টিটিসি সেন্টার উপজেলা পরিষদের আশপাশেই হোক। এতে প্রত্যেক ইউনিয়নের সুবিধা হবে। এ বিষয়টি সমাধান করতেই পূর্ব ঘোষিত সময় অনুযায়ী ধানগড়া বাজারে এমপি স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বসেছিলেন। কিন্তু সভা শেষ হওয়ার আগেই হঠাৎ উত্তেজনা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়ে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রায়গঞ্জ সার্কেল) সাইফুল ইসলাম খান জাগো নিউজকে বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত ও তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তাছাড়া বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে বিরোধ এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
এম এ মালেক/এনএইচআর
What's Your Reaction?