ময়লার ভাগাড় অপসারণের দাবিতে লাঠি হাতে নারীদের বিক্ষোভ

বগুড়া সদরের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের নারুলী এলাকায় সড়কের পাশে গড়ে ওঠা ময়লার ভাগাড় দ্রুত অপসারণের দাবিতে লাঠি হাতে ও মুখে কাপড় চেপে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় নারীরা। শনিবার (১৫ আগস্ট) বেলা ১২ টায় সারিয়াকান্দি-চেলোপাড়া সড়কের নারুলী পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন কৃষি ফার্মের পাশের ময়লার ভাগাড়ের সামনে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন তারা। এতে নারুলী এলাকার বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী নারী ও স্থানীয় বাসিন্দা অংশ নেন। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জনবহুল এলাকার সড়কের পাশে অনিয়ন্ত্রিতভাবে ময়লা-আবর্জনা ফেলায় দুর্গন্ধ, মাছি-মশার উপদ্রব ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন আশপাশের বাসিন্দা ও পথচারীরা। ভুক্তভোগী আরিফুন নাহার বলেন, এখানে দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। আমাদের বাসাবাড়িতেও দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। ময়লা-আবর্জনার কারণে মাছি-মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে। আমরা খুবই কষ্টে আছি। অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ার মতো পরিস্থিতিতে রয়েছি। দ্রুত ময়লা সরিয়ে নির্দিষ্ট ও দূরবর্তী স্থানে ফেলার দাবি জানাচ্ছি। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহিম আকন্দ বলেন, আমরা এখানে থাকতে পারছি না। আমরা অসুস্থ হয়ে গেছি। কিছুদিন আগে এখানে দুর্ঘটনায় একজন মারা

ময়লার ভাগাড় অপসারণের দাবিতে লাঠি হাতে নারীদের বিক্ষোভ

বগুড়া সদরের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের নারুলী এলাকায় সড়কের পাশে গড়ে ওঠা ময়লার ভাগাড় দ্রুত অপসারণের দাবিতে লাঠি হাতে ও মুখে কাপড় চেপে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় নারীরা। শনিবার (১৫ আগস্ট) বেলা ১২ টায় সারিয়াকান্দি-চেলোপাড়া সড়কের নারুলী পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন কৃষি ফার্মের পাশের ময়লার ভাগাড়ের সামনে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

এতে নারুলী এলাকার বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী নারী ও স্থানীয় বাসিন্দা অংশ নেন। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জনবহুল এলাকার সড়কের পাশে অনিয়ন্ত্রিতভাবে ময়লা-আবর্জনা ফেলায় দুর্গন্ধ, মাছি-মশার উপদ্রব ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন আশপাশের বাসিন্দা ও পথচারীরা।

ভুক্তভোগী আরিফুন নাহার বলেন, এখানে দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। আমাদের বাসাবাড়িতেও দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। ময়লা-আবর্জনার কারণে মাছি-মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে। আমরা খুবই কষ্টে আছি। অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ার মতো পরিস্থিতিতে রয়েছি। দ্রুত ময়লা সরিয়ে নির্দিষ্ট ও দূরবর্তী স্থানে ফেলার দাবি জানাচ্ছি।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহিম আকন্দ বলেন, আমরা এখানে থাকতে পারছি না। আমরা অসুস্থ হয়ে গেছি। কিছুদিন আগে এখানে দুর্ঘটনায় একজন মারা গেছেন, আরেকজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ বিষয়ে আমরা সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছিলাম। তিনি এক মাস সময় নিয়েছিলেন। কিন্তু আজ দুই মাস হতে চললেও ময়লা সরানো হয়নি। বরং দিন দিন ময়লার পরিমাণ আরও বাড়ছে। বাধ্য হয়ে আজ আমরা প্রতিবাদে নেমেছি। এখন থেকে এখানে আর ময়লা ফেলতে দেব না।

মুনজিলা রহমান বলেন, কয়েক মাস আগে আমার স্বামী রাস্তায় ময়লার ভাগাড়ের পাশ দিয়ে মাগরিবের নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনায় আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মারা যান।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ময়লার স্তূপের কারণে সড়কের একটি অংশ সংকুচিত হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি দুর্গন্ধ ও ময়লার কারণে স্বাভাবিক চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে। তারা দ্রুত ভাগাড়টি অপসারণ করে এলাকাটি পরিষ্কার করার দাবি জানান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন বলেন, ময়লা সরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গা প্রয়োজন। কিন্তু আশপাশে সরকারের নিজস্ব কোনো জায়গা না থাকায় বিষয়টি কিছুটা জটিল হয়ে আছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সামনে থাকা টিএনটির একটি খালি জায়গা নিয়ে আলোচনা চলছে। সেখানে ছোট একটি ঘর তৈরি করে ময়লা রাখার পর সেখান থেকে ট্রাকে করে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এনএইচআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow