এমপি আয়নুল হকের ওপর হামলা, গ্রেফতার ১
সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ভিপি আয়নুল হকের ওপর হামলা ঘটনায় আলমগীর হোসেন নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলা সদর ধানগড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের সামনে অবস্থিত ক্যাফে ফাস্ট ফুডে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আলমগীর হোসেন পৌরসভার রনতিথা মহল্লার মৃত বাবলু শেখের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রেস্টুরেন্টে ব্যবসায়ী ও ক্যাফে ফাস্ট ফুডের স্বত্বাধিকারী। স্থানীয়রা জানায়, রায়গঞ্জ উপজেলায় সরকারি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) স্থাপনের বিষয়ে শনিবার সন্ধ্যায় ধানগড়া বাজারে জরুরি মতবিনিময় সভা ছিল। সভাশেষে বের হওয়ার সময় সংসদ সদস্যের গাড়ির ওপর অতর্কিত হামলা হয়। পরে এমপি আয়নুল হক দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা ফয়সাল বিশ্বাসের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে যুক্ত হন এমপি আয়নুল হক। এসময় তিনি তার ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াত, শিবির ও এনসিপিকে দায়ী করেন। ওই হামলায় এমপি আঘাত প্রাপ্ত না হলেও তার গাড়ির পেছনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গায় উত্তেজনা পরিস্থিতি সৃষ্টি ও বিএনপির দলীয় নেত
সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ভিপি আয়নুল হকের ওপর হামলা ঘটনায় আলমগীর হোসেন নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলা সদর ধানগড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের সামনে অবস্থিত ক্যাফে ফাস্ট ফুডে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
আলমগীর হোসেন পৌরসভার রনতিথা মহল্লার মৃত বাবলু শেখের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রেস্টুরেন্টে ব্যবসায়ী ও ক্যাফে ফাস্ট ফুডের স্বত্বাধিকারী।
স্থানীয়রা জানায়, রায়গঞ্জ উপজেলায় সরকারি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) স্থাপনের বিষয়ে শনিবার সন্ধ্যায় ধানগড়া বাজারে জরুরি মতবিনিময় সভা ছিল। সভাশেষে বের হওয়ার সময় সংসদ সদস্যের গাড়ির ওপর অতর্কিত হামলা হয়। পরে এমপি আয়নুল হক দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা ফয়সাল বিশ্বাসের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে যুক্ত হন এমপি আয়নুল হক। এসময় তিনি তার ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াত, শিবির ও এনসিপিকে দায়ী করেন।
ওই হামলায় এমপি আঘাত প্রাপ্ত না হলেও তার গাড়ির পেছনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গায় উত্তেজনা পরিস্থিতি সৃষ্টি ও বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। এরপর জেলা বিএনপি, জায়ামাতে ইসলামী ও এনসিপি পৃথকভাবে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানান।
এদিন রাতেই স্থানীয় বিএনপি নেতা শামীমুল হাসান বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। এতে ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৩০-৪০ জনকে আসামি করা হয়। তবে, পুলিশ তদন্তের স্বার্থে আসামিদের নাম-পরিচয় এখনও প্রকাশ করেনি।
পুলিশ জানায়, হামলায় আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে গ্রেফতার আলমগীর হোসেনের শ্যালক মোহাম্মদ মুন্না বলেন, আলমগীর কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত না। কখনও কোনো দলের মিটিং মিছিলেও যাইনি। শুধু রেস্টুরেন্টে ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকে, অথচ তিনি নাকি এমপির ওপর হামলা করেছে। আর এ ঘটনায় তার নিজ রেস্টুরেন্ট থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে।
তিনি বলেন, যদি সে হামলায় করতো, তাহলে তো পালিয়ে থাকার কথা, তার রেস্টুরেন্টে থাকার কথা না। তিনি এ ঘটনার সঠিক তদন্ত ও আলমগীর হোসেনের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রায়গঞ্জ সার্কেল) সাইফুল ইসলাম খান এ গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জাগো নিউজকে বলেন, হামলার ঘটনায় আলমগীর হোসেন একজন নামিক আসামি। এ ঘটনায় জড়িত বাকি অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জোরালো চেষ্টা করছেন তারা।
এম এ মালেক/কেএইচকে/এএসএম
What's Your Reaction?