এসপির নামে হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খুলে ঈদের সম্মানী দাবি, গ্রেপ্তার ৩
সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপারের (এসপি) পোশাক পরিহিত ছবি দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খোলা একটি প্রতারক চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চক্রটি হোয়াটসঅ্যাপ আইডির মাধ্যমে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছে ঈদের সম্মানী বাবদ চাঁদা দাবি করছিল। সোমবার (১৬ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. হাফিজুর রহমান। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, শেরপুরের কৃষ্ণপুর নামাপাড়া গ্রামের মো. আমজাদ হোসেনের ছেলে মো. সোহেল মিয়া (৩৪), ধুনট থানার চালাপাড়া গ্রামের মৃত রমজান আকন্দের ছেলে মো. বাদশা আকন্দ (৫০) ও শেরপুরের খানপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাদশা আকন্দের ছেলে মো. রিপন (২২)। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার প্রতারকরা দুটি নম্বর ব্যবহার করে পুলিশ সুপারের পরিচয় ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খুলেছে। তারা নিজেদের সিরাজগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার পরিচয় দিয়ে শাড়ি ও লুঙ্গি ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে ঈদের সম্মানী বাবদ চাঁদা দাবি করছিল। বিষয়টি অবগত হয়ে পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতুর নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে
সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপারের (এসপি) পোশাক পরিহিত ছবি দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খোলা একটি প্রতারক চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চক্রটি হোয়াটসঅ্যাপ আইডির মাধ্যমে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছে ঈদের সম্মানী বাবদ চাঁদা দাবি করছিল।
সোমবার (১৬ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. হাফিজুর রহমান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, শেরপুরের কৃষ্ণপুর নামাপাড়া গ্রামের মো. আমজাদ হোসেনের ছেলে মো. সোহেল মিয়া (৩৪), ধুনট থানার চালাপাড়া গ্রামের মৃত রমজান আকন্দের ছেলে মো. বাদশা আকন্দ (৫০) ও শেরপুরের খানপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাদশা আকন্দের ছেলে মো. রিপন (২২)।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার প্রতারকরা দুটি নম্বর ব্যবহার করে পুলিশ সুপারের পরিচয় ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খুলেছে। তারা নিজেদের সিরাজগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার পরিচয় দিয়ে শাড়ি ও লুঙ্গি ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে ঈদের সম্মানী বাবদ চাঁদা দাবি করছিল।
বিষয়টি অবগত হয়ে পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতুর নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাজরান রউফের তত্ত্বাবধানে একটি টিম গঠন করা হয়। সদর থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে হোয়াটসঅ্যাপ আইডির অবস্থান শনাক্ত করে। এরপর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় সোহেল মিয়ার কাছ থেকে একটি আইটেল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল, একটি স্যামসাং অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ও তিন হাজার টাকা জব্দ করা হয়।
সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাজরান রউফসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
What's Your Reaction?