ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলার মাঠে উচ্ছ্বসিত দর্শকরা
গ্রামবাংলার একসময়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় বিনোদন ছিল লাঠি খেলা। কোনো উৎসব বা বিশেষ অনুষ্ঠান মানেই ছিল পাড়ায় পাড়ায় লাঠি খেলার আসর। তবে কালের বিবর্তনে প্রযুক্তির ছোঁয়ায় সেই ঐতিহ্য এখন অনেকটাই ম্লান। গ্রামবাংলার সেই হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে আয়োজন করা হয়েছে এক বর্ণাঢ্য লাঠি খেলার প্রদর্শনী। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের উমেশ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ‘স্বপ্ন বিলাসী’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। আয়োজক প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী শাওন সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত এই খেলা দেখতে আশপাশের এলাকা থেকে সব বয়সি মানুষের ঢল নামে। দুপুর থেকেই মাঠের চারপাশে ভিড় করেন শিশু, তরুণ-তরুণী ও নারী-পুরুষ। ঢোলের তালে তালে খেলোয়াড়দের লাঠির কসরত আর আত্মরক্ষার কৌশলী সব খেলা দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন দর্শকরা। প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাত থেকে আত্মরক্ষার কৌশল এবং লাঠি চালনার নান্দনিক দৃশ্য উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি করে। খেলার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো মাঠ ছিল উৎসবমুখর। অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় শিক্ষক বিপ্লব সরকার
গ্রামবাংলার একসময়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় বিনোদন ছিল লাঠি খেলা। কোনো উৎসব বা বিশেষ অনুষ্ঠান মানেই ছিল পাড়ায় পাড়ায় লাঠি খেলার আসর। তবে কালের বিবর্তনে প্রযুক্তির ছোঁয়ায় সেই ঐতিহ্য এখন অনেকটাই ম্লান।
গ্রামবাংলার সেই হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে আয়োজন করা হয়েছে এক বর্ণাঢ্য লাঠি খেলার প্রদর্শনী।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের উমেশ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ‘স্বপ্ন বিলাসী’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। আয়োজক প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী শাওন সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত এই খেলা দেখতে আশপাশের এলাকা থেকে সব বয়সি মানুষের ঢল নামে।
দুপুর থেকেই মাঠের চারপাশে ভিড় করেন শিশু, তরুণ-তরুণী ও নারী-পুরুষ। ঢোলের তালে তালে খেলোয়াড়দের লাঠির কসরত আর আত্মরক্ষার কৌশলী সব খেলা দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন দর্শকরা। প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাত থেকে আত্মরক্ষার কৌশল এবং লাঠি চালনার নান্দনিক দৃশ্য উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি করে। খেলার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো মাঠ ছিল উৎসবমুখর।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় শিক্ষক বিপ্লব সরকার বলেন, ‘আধুনিকতার ভিড়ে ক্রিকেট, ফুটবল, ভলিবল বা ব্যাডমিন্টনের মতো খেলার চাপে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা। বর্তমানে শিশু-কিশোররা মাঠে খেলাধুলার চেয়ে মোবাইল ফোনে পাবজি বা ফ্রি-ফায়ারের মতো অনলাইন গেমেই বেশি আসক্ত। এমন পরিস্থিতিতে গ্রামবাংলার এই ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখার উদ্যোগটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
আয়োজক শাওন সরকার বলেন, এক সময় বাংলা বর্ষবরণ, বিয়ে, চড়কপূজা কিংবা সুন্নতে খাৎনার মতো আয়োজনে লাঠি খেলা ছিল অপরিহার্য। সেই সোনালি দিনের স্মৃতি নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে, গ্রামীণ সংস্কৃতির আবেদন আজও ফুরিয়ে যায়নি।
What's Your Reaction?