ওবায়দুল কাদেরসহ পলাতক ৭ আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক পেছালো

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক পিছিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। আগামী ১৪ জুন এ সংক্রান্ত বিষয়ে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ঠিক করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউশনের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (১৭ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২, এ আদেশ দেন। এর আগে ২৭ এপ্রিল সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ১৭ মে যুক্তিতর্কের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত। এ মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে তদন্ত কর্মকর্তা আহমেদ নাসের উদ্দিন মোহাম্মদসহ ২৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। ২২ জানুয়ারি ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ওবায়দুল কাদেরসহ মামলার অন্য আসামিরা হলেন-কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের আনুষ্ঠানি

ওবায়দুল কাদেরসহ পলাতক ৭ আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক পেছালো

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক পিছিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। আগামী ১৪ জুন এ সংক্রান্ত বিষয়ে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ঠিক করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউশনের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (১৭ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২, এ আদেশ দেন।

এর আগে ২৭ এপ্রিল সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ১৭ মে যুক্তিতর্কের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত। এ মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে তদন্ত কর্মকর্তা আহমেদ নাসের উদ্দিন মোহাম্মদসহ ২৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

২২ জানুয়ারি ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ওবায়দুল কাদেরসহ মামলার অন্য আসামিরা হলেন-কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। আসামিরা গ্রেফতার না হওয়ায় তাদের পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। আসামির অনুপস্থিতিতে বিচার হতে আইনে কোনো বাধা নেই।

প্রসিকিউশনের মতে, ওবায়দুল কাদের সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ছিলেন। জুলাই-আগস্টে দেশে যে গণহত্যা হয়েছে সেই গণহত্যার পরিকল্পনা, নির্দেশ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। একই সঙ্গে তার দলের অন্য নেতারা বিশেষ করে বাহাউদ্দিন নাসিম, আরাফাত পুরো প্রক্রিয়ায় সরাসরি সম্পৃক্ত থেকে এই হত্যাকাণ্ডকে ফ্যাসিলিটেট করেছেন। ওই সময় পুলিশ বা অন্যান্য বাহিনীর পাশাপাশি অক্সিলিয়ারি ফোর্স হিসেবে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ সরাসরি আক্রমণে অংশগ্রহণ করেছেন এবং নির্মম নিষ্ঠুরভাবে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে তারা হত্যাকাণ্ড চালিয়েছেন, অত্যাচার করেছেন, অঙ্গহানি করেছেন।

প্রসিকিউশন জানায়, এসব কারণে ওবায়দুল কাদেরকে এখানে কমান্ড রেসপন্সিবিলিটির কারণে এই মামলার আসামি করা হয়েছে। অন্য যাদের আসামি করা হয়েছে, তারা প্রত্যেকেই শীর্ষস্থানীয় নেতা; তার নিজ নিজ অর্গানাইজেশনের; সেই কমান্ড রেসপন্সিবিলিটির কারণে তাদের আসামিভুক্ত করা হয়েছে।

এফএইচ/এমআইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow