ওয়ারজাবালের গোলে এগিয়ে স্পেন

ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে বলের দখল, আক্রমণ আর সুযোগ তৈরিতে আধিপত্য দেখালেও প্রথম গোল পেতে ৩৬ মিনিট অপেক্ষা করতে হয়েছে স্পেনকে। অবশেষে অস্ট্রিয়ার গোলমুখের তালা খুলে ৩৬তম মিনিটে গোল করলেন মিকেল ওয়ারজাবাল। ১-০ গোলে এগিয়ে গেলো স্পেন। তীব্র গরমের মধ্যে ওয়াটার ব্রেকসহ বিরতিহীন লড়াইয়ে অস্ট্রিয়ার রক্ষণকে বারবার পরীক্ষা নেয় লা রোজারা। সেই চাপেরই ফল আসে ৩৬ মিনিটে। ম্যাচের শুরু থেকেই নিজেদের স্বভাবসুলভ পজেশন-ভিত্তিক ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। যদিও প্রথম কয়েক মিনিট অস্ট্রিয়াও বলের দখল ধরে রাখার চেষ্টা করে এবং উইং ব্যবহার করে আক্রমণে ওঠে। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় স্প্যানিশরা। দ্বিতীয় মিনিটেই দূরপাল্লার শটে গোলরক্ষক আলেক্সান্ডার শ্লাগারকে পরীক্ষা করেন তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। এরপর কর্নার থেকে আয়মেরিক লাপোর্তের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। মাঝমাঠে রদ্রি, দানি ওলমো ও আলেক্স বায়েনার নিয়ন্ত্রণে একের পর এক আক্রমণ গড়ে তোলে স্পেন। তবে অস্ট্রিয়ার রক্ষণ এবং গোলরক্ষক শ্লাগার বেশ কয়েকবার গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন। ৩২ মিনিটে ইয়ামালে

ওয়ারজাবালের গোলে এগিয়ে স্পেন

ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে বলের দখল, আক্রমণ আর সুযোগ তৈরিতে আধিপত্য দেখালেও প্রথম গোল পেতে ৩৬ মিনিট অপেক্ষা করতে হয়েছে স্পেনকে। অবশেষে অস্ট্রিয়ার গোলমুখের তালা খুলে ৩৬তম মিনিটে গোল করলেন মিকেল ওয়ারজাবাল। ১-০ গোলে এগিয়ে গেলো স্পেন। তীব্র গরমের মধ্যে ওয়াটার ব্রেকসহ বিরতিহীন লড়াইয়ে অস্ট্রিয়ার রক্ষণকে বারবার পরীক্ষা নেয় লা রোজারা। সেই চাপেরই ফল আসে ৩৬ মিনিটে।

ম্যাচের শুরু থেকেই নিজেদের স্বভাবসুলভ পজেশন-ভিত্তিক ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। যদিও প্রথম কয়েক মিনিট অস্ট্রিয়াও বলের দখল ধরে রাখার চেষ্টা করে এবং উইং ব্যবহার করে আক্রমণে ওঠে। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় স্প্যানিশরা।

দ্বিতীয় মিনিটেই দূরপাল্লার শটে গোলরক্ষক আলেক্সান্ডার শ্লাগারকে পরীক্ষা করেন তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। এরপর কর্নার থেকে আয়মেরিক লাপোর্তের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

মাঝমাঠে রদ্রি, দানি ওলমো ও আলেক্স বায়েনার নিয়ন্ত্রণে একের পর এক আক্রমণ গড়ে তোলে স্পেন। তবে অস্ট্রিয়ার রক্ষণ এবং গোলরক্ষক শ্লাগার বেশ কয়েকবার গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন।

৩২ মিনিটে ইয়ামালের জোরালো শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন শ্লাগার। এক মিনিট পর মিকেল ওয়ারজাবালের শটও প্রতিহত করেন অস্ট্রিয়ার এই গোলরক্ষক।

তবে ৩৬ মিনিটে আর রক্ষা হয়নি। বাম প্রান্ত দিয়ে দারুণ এক আক্রমণে মারক কুকুরেয়ার নিখুঁত ক্রস খুঁজে নেয় মিকেল ওয়ারজাবালকে। বক্সের ভেতর থেকে বাঁ পায়ের দুর্দান্ত ফিনিশে শ্লাগারকে পরাস্ত করে স্পেনকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। গোলটির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন পেদ্রি, যিনি আক্রমণটি গড়ে তুলতে দারুণ একটি কী-পাস দিয়েছিলেন।

গোল হজমের পর অস্ট্রিয়া কিছুটা বলের দখল বাড়ানোর চেষ্টা করলেও স্পেনের রক্ষণ খুব একটা পরীক্ষা দিতে হয়নি। বরং ৩৯ মিনিটে আবারও দূরপাল্লার শটে শ্লাগারকে ব্যস্ত করেন ইয়ামাল।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে স্পেনের বল দখল ছিল প্রায় ৬২ শতাংশ। আক্রমণ, সুযোগ সৃষ্টি এবং ম্যাচের ছন্দ- সব দিক থেকেই এগিয়ে ছিল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। অন্যদিকে অস্ট্রিয়া কয়েকবার আক্রমণে উঠলেও পরিষ্কার গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।

প্রথম ৪৫ মিনিট শেষে তাই ওয়ারজাবালের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় স্পেন। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়িয়ে ম্যাচ নিশ্চিত করার লক্ষ্য থাকবে স্প্যানিশদের, আর অস্ট্রিয়ার সামনে থাকবে ঘুরে দাঁড়িয়ে সমতায় ফেরার কঠিন চ্যালেঞ্জ।

আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow