ওয়ার্ক পারমিট হারাতে চলেছেন কি নোরা?
বলিউডের গ্ল্যামার আর নোরা ফাতেহির জাদুকরী নৃত্যের মিশেলে যে ধামাকার অপেক্ষায় ছিল ভক্তরা, তা এখন চরম এক দুঃস্বপ্নে রূপ নিয়েছে। সঞ্জয় দত্তের বহুল আলোচিত ছবি ‘কেডি : দ্য ডেভিল’-এর ‘সারকে চুনার তেরি সারকে’ গানটি মুক্তির পর থেকেই শুরু হয়েছে তুমুল গর্জন— তবে তা প্রশংসার নয়, প্রতিবাদের। নোরার শরীরী হিল্লোল আর গানের কথামালায় কুরুচিপূর্ণ ইঙ্গিত রয়েছে, এমন অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বয়ে যাচ্ছে সমালোচনার প্রলয়। জনরোষের মুখে ভারতের আদালত গানটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করায় বড় ধরনের আইনি গ্যাঁড়াকলে ফেঁসে গেছেন এই বলিউড সুন্দরী। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, পরিস্থিতি বেগতিক দেখে প্রকাশ্যেই ক্ষমা চেয়েছেন নোরা ফাতেহি। তিনি জানান, প্রায় তিন বছর আগে কন্নড় ভাষায় গানটির শুটিং হয়েছিল। সে সময় এর বিষয়বস্তু নিয়ে আপত্তির কোনো কারণ তিনি খুঁজে পাননি। তবে হিন্দি সংস্করণ সামনে আসার পর গানের কিছু অংশ নোরার কাছেও অস্বস্তিকর মনে হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। একই সঙ্গে নিজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টার অভিযোগ তুলে নোরা বলেন, ‘আমি কোনো তারকাসন্তান নই, নিজের পরিশ্রম আর সম্মানই আমার একমাত্র পুঁজি।’ অভিনেত্রীর দাবি
বলিউডের গ্ল্যামার আর নোরা ফাতেহির জাদুকরী নৃত্যের মিশেলে যে ধামাকার অপেক্ষায় ছিল ভক্তরা, তা এখন চরম এক দুঃস্বপ্নে রূপ নিয়েছে। সঞ্জয় দত্তের বহুল আলোচিত ছবি ‘কেডি : দ্য ডেভিল’-এর ‘সারকে চুনার তেরি সারকে’ গানটি মুক্তির পর থেকেই শুরু হয়েছে তুমুল গর্জন— তবে তা প্রশংসার নয়, প্রতিবাদের।
নোরার শরীরী হিল্লোল আর গানের কথামালায় কুরুচিপূর্ণ ইঙ্গিত রয়েছে, এমন অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বয়ে যাচ্ছে সমালোচনার প্রলয়। জনরোষের মুখে ভারতের আদালত গানটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করায় বড় ধরনের আইনি গ্যাঁড়াকলে ফেঁসে গেছেন এই বলিউড সুন্দরী।
ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, পরিস্থিতি বেগতিক দেখে প্রকাশ্যেই ক্ষমা চেয়েছেন নোরা ফাতেহি। তিনি জানান, প্রায় তিন বছর আগে কন্নড় ভাষায় গানটির শুটিং হয়েছিল। সে সময় এর বিষয়বস্তু নিয়ে আপত্তির কোনো কারণ তিনি খুঁজে পাননি। তবে হিন্দি সংস্করণ সামনে আসার পর গানের কিছু অংশ নোরার কাছেও অস্বস্তিকর মনে হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
একই সঙ্গে নিজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টার অভিযোগ তুলে নোরা বলেন, ‘আমি কোনো তারকাসন্তান নই, নিজের পরিশ্রম আর সম্মানই আমার একমাত্র পুঁজি।’ অভিনেত্রীর দাবি, গানের বিষয়ে তিনি আপত্তি জানালেও নির্মাতারা সেটিকে গুরুত্ব দেননি।
তবে ক্ষমা চেয়েও পার পাচ্ছেন না নোরা। ১০ আইনজীবীর একটি দল ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নোরার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন। তাদের দাবি, নোরা বারবার এমন সব কনটেন্টে যুক্ত হচ্ছেন যা অশালীন, যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ এবং ভারতীয় সমাজের মূল্যবোধের পরিপন্থি।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, এই ধরনের উপস্থাপনা নারীর মর্যাদার জন্য অসম্মানজনক এবং তরুণ প্রজন্মের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
আইনজীবীরা ‘ফরেনার্স অ্যাক্ট, ১৯৪৬’ বা বিদেশি আইনের কথা উল্লেখ করে জানিয়েছেন, কোনো বিদেশি নাগরিকের কার্যকলাপ যদি দেশের শালীনতা বা জনস্বার্থের পরিপন্থি হয়, তবে সরকার তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে। তাদের দাবি ভারতে নোরা ফাতেহির কাজ করার অনুমতি বা ‘ওয়ার্ক পারমিট’ বাতিল করা হোক।
What's Your Reaction?