কথাসাহিত্যিক মণিশংকর মুখোপাধ্যায় মারা গেছেন
ভারতের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মণিশংকর মুখোপাধ্যায় মারা গেছেন। ২০ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টা ১২ মিনিটে মারা যান তিনি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। পরিবারসূত্রে জানা যায়, ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছুদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। ‘চৌরঙ্গী’ থেকে ‘কত অজানারে’, ‘সীমাবদ্ধ’ থেকে ‘জনঅরণ্য’—তাঁর কালজয়ী সৃষ্টিগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্ম বাঙালি পাঠককে মুগ্ধ করেছে। তাঁর লেখনীতে উঠে এসেছে সাধারণ মানুষের জীবন সংগ্রামের না-বলা কথা। স্বামী বিবেকানন্দকে নিয়ে তাঁর সুগভীর গবেষণা ও গ্রন্থসমূহ অমূল্য সম্পদ। জানা যায়, ১৯৩৩ সালের ৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশের যশোরের বনগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শংকর। আইনজীবী বাবা হরিপদ মুখোপাধ্যায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর আগেই চলে যান কলকাতার হাওড়ায়। সেখানেই শংকরের বেড়ে ওঠা। কখনো শিক্ষকতা, কখনো হাইকোর্ট পাড়ায় কাজ করলেও লেখালেখির প্রতি অনুরাগ ছোটবেলা থেকেই। আরও পড়ুনএই অস্থির সময়ে মানুষকে বইমুখী করতে মনোযোগী হতে হবে ১৯৫৫ সালে ‘কত অজানারে’ দিয়ে তাঁর পথচলা শুরু। ‘চৌরঙ্গী’ উপন্যাসের জনপ্রিয়তা তাঁকে পাঠকের চোখের মণি করে তোলে। তাঁর দুটি উপন্যাস ‘সীমাবদ্ধ’ এবং ‘জন-অরণ্য’ চলচ্চিত্রায়িত হয়েছে
ভারতের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মণিশংকর মুখোপাধ্যায় মারা গেছেন। ২০ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টা ১২ মিনিটে মারা যান তিনি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। পরিবারসূত্রে জানা যায়, ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছুদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি।
‘চৌরঙ্গী’ থেকে ‘কত অজানারে’, ‘সীমাবদ্ধ’ থেকে ‘জনঅরণ্য’—তাঁর কালজয়ী সৃষ্টিগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্ম বাঙালি পাঠককে মুগ্ধ করেছে। তাঁর লেখনীতে উঠে এসেছে সাধারণ মানুষের জীবন সংগ্রামের না-বলা কথা। স্বামী বিবেকানন্দকে নিয়ে তাঁর সুগভীর গবেষণা ও গ্রন্থসমূহ অমূল্য সম্পদ।
জানা যায়, ১৯৩৩ সালের ৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশের যশোরের বনগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শংকর। আইনজীবী বাবা হরিপদ মুখোপাধ্যায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর আগেই চলে যান কলকাতার হাওড়ায়। সেখানেই শংকরের বেড়ে ওঠা। কখনো শিক্ষকতা, কখনো হাইকোর্ট পাড়ায় কাজ করলেও লেখালেখির প্রতি অনুরাগ ছোটবেলা থেকেই।
১৯৫৫ সালে ‘কত অজানারে’ দিয়ে তাঁর পথচলা শুরু। ‘চৌরঙ্গী’ উপন্যাসের জনপ্রিয়তা তাঁকে পাঠকের চোখের মণি করে তোলে। তাঁর দুটি উপন্যাস ‘সীমাবদ্ধ’ এবং ‘জন-অরণ্য’ চলচ্চিত্রায়িত হয়েছে সত্যজিতের হাতে। এই দুটি উপন্যাস এবং ‘আশা আকাঙ্ক্ষা’ নিয়ে প্রকাশিত হয় ট্রিলজি, স্বর্গ মর্ত পাতাল।
কিশোর সাহিত্যে তার প্রথম পদার্পণ শারদীয়া আনন্দমেলায়। ‘পিকলুর কলকাতাভ্রমণ’ নামের অনু-উপন্যাসটি দিয়ে। পরে লেখার নাম পাল্টে হয়ে যায় ‘খারাপ লোকের খপ্পরে’। আরও দুটি লেখা নিয়ে ‘এক ব্যাগ শংকর’ নামে প্রকাশিত হয়। ‘নিবেদিতা রিসার্চ ল্যাবরেটরি’, ‘বোধোদয়’, ‘এক দুই তিন’, ‘সার্থক জনম’, ‘চরণ ছুঁয়ে যাই’ তাঁর হাতেই তৈরি। ২০১৪ সালে প্রকাশিত ‘একা একা একাশি’ উপন্যাসের জন্য পান সাহিত্য অ্যাকাডেমি পুরস্কার।
এসইউ
What's Your Reaction?