কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে হত্যা, প্রধান আসামি বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর দ্বীন ইসলাম হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও বিএনপি নেতা আব্দুল আওয়ালকে (৪৮) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। শনিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে তাকে কসবা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল আওয়াল কসবা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং মেহারী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তিনি উপজেলার মেহারী ইউনিয়নের শিমরাইল গ্রামের আব্দুল লতিফ মেম্বারের ছেলে। র্যাব-৯ এর কোম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নূরন্নবী জানান, শুক্রবার রাতে র্যাব-৯ ও র্যাব-১-এর এক যৌথ অভিযানে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শেরেবাংলা নগর বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থানকালে র্যাবের গোয়েন্দা দল তাকে শনাক্ত ও আটক করতে সক্ষম হয়। মামলার নথিপত্র ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ মার্চ দুপুরে কসবা উপজেলার মেহারী ইউনিয়নের শিমরাইল গ্রামে কনটেন্ট ক্রিয়েটর দ্বীন ইসলামকে (৩৫) তার নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ ওঠে আব্দুল আওয়াল ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। নিহত দ্বীন ইসলাম একই গ্রামের সফিকুল ইসলামের
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর দ্বীন ইসলাম হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও বিএনপি নেতা আব্দুল আওয়ালকে (৪৮) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
শনিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে তাকে কসবা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল আওয়াল কসবা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং মেহারী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তিনি উপজেলার মেহারী ইউনিয়নের শিমরাইল গ্রামের আব্দুল লতিফ মেম্বারের ছেলে।
র্যাব-৯ এর কোম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নূরন্নবী জানান, শুক্রবার রাতে র্যাব-৯ ও র্যাব-১-এর এক যৌথ অভিযানে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শেরেবাংলা নগর বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থানকালে র্যাবের গোয়েন্দা দল তাকে শনাক্ত ও আটক করতে সক্ষম হয়।
মামলার নথিপত্র ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ মার্চ দুপুরে কসবা উপজেলার মেহারী ইউনিয়নের শিমরাইল গ্রামে কনটেন্ট ক্রিয়েটর দ্বীন ইসলামকে (৩৫) তার নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ ওঠে আব্দুল আওয়াল ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। নিহত দ্বীন ইসলাম একই গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর থেকেই প্রধান আসামি আব্দুল আওয়াল পলাতক ছিলেন।
কসবা থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। মামলার অন্য আসামিদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?