কফিনবন্দি হয়ে বাড়িতে ফিরলেন সেই পিএইচডি শিক্ষার্থী লিমন
যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুর শিকার বাংলাদেশি মেধাবী শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ অবশেষে তার নিজ জেলা জামালপুরের মাদারগঞ্জে এসে পৌঁছেছে। সোমবার (৪ মে) বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে তার গ্রামের বাড়িতে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি পৌঁছালে এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
নিহত জামিল আহমেদ লিমন মাদারগঞ্জ উপজেলার লালডোবা গ্রামের জহুরুল হক ও লুৎফন নেছা দম্পতির বড় ছেলে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিখোঁজ হন লিমন। দীর্ঘ ১২ দিন নিখোঁজ থাকার পর ২৮ এপ্রিল ফ্লোরিডার হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।
মন্ত্রণালয়ের একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহটি গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে লিমনকে শেষ নজর দেখতে ভিড় জমান স্বজন ও এলাকাবাসী। প্রিয় সন্তানকে হারিয়ে বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন বাবা-মা। স্বজনরা জানিয়েছেন, মাগরিবের নামাজের পর জানাজা শেষে
যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুর শিকার বাংলাদেশি মেধাবী শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ অবশেষে তার নিজ জেলা জামালপুরের মাদারগঞ্জে এসে পৌঁছেছে। সোমবার (৪ মে) বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে তার গ্রামের বাড়িতে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি পৌঁছালে এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
নিহত জামিল আহমেদ লিমন মাদারগঞ্জ উপজেলার লালডোবা গ্রামের জহুরুল হক ও লুৎফন নেছা দম্পতির বড় ছেলে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিখোঁজ হন লিমন। দীর্ঘ ১২ দিন নিখোঁজ থাকার পর ২৮ এপ্রিল ফ্লোরিডার হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।
মন্ত্রণালয়ের একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহটি গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে লিমনকে শেষ নজর দেখতে ভিড় জমান স্বজন ও এলাকাবাসী। প্রিয় সন্তানকে হারিয়ে বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন বাবা-মা। স্বজনরা জানিয়েছেন, মাগরিবের নামাজের পর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
লিমনের বাবা জহুরুল হক শোকাতুর কণ্ঠে বলেন, আমি আমার কলিজার টুকরাকে হারিয়েছি, যা আর কখনোই পূরণ হবে না।
তবে মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের পক্ষ থেকে সবসময় খোঁজখবর রাখা ও সহযোগিতার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।