কবিতা: রক্তজল করা কাব্য
বিপুল চন্দ্র রায় যাদের হাড়ভাঙা খাটুনি শব্দে জেগে ওঠে এই শহর,রক্তজল করা শ্রমে শুরু হয় নবজীবনের প্রহর।তপ্ত রোদে পুড়ছে যারা, পাথরে হাতুড়ি হানে,স্বপ্ন দানা বাঁধে কেবলই তাদের পেশির জোরে। যাদের ঘামে সিক্ত মাটিতে ফসলের হাসিখানি,যাদের রক্তে সচল চাকা, সভ্যতার অগ্রবাণী।আকাশচুম্বী অট্টালিকা কি বিশাল কারখানা,শ্রমিকেরই হাতের ছোঁয়ায় পূর্ণ শিল্পকলা। যাদের ঘামের ঘ্রাণে ধন্য সভ্যতার এই মাটি,শ্রমের দীক্ষায় গড়া যাদের জীবন পরম খাঁটি।ভিত্তি গড়া সেই মানুষ আজও সয় শুধু লাঞ্ছনা,হক চাইলে কেন জোটে অবহেলা আর নিষ্ঠুর বঞ্চনা? হাতুড়ি-শাবলে নতুন সূর্য উঠবেই একদিন ঠিক,শ্রমিক-হাতের পরশে ধন্য হবে এই দশ দিক।শ্রমের দামে মুক্তি মিলুক, অধিকারের লড়াই চলুক,শোষিত প্রাণ জাগুক তবে, সাম্যের গান বিশ্ব বলুক। কেএসকে
বিপুল চন্দ্র রায়
যাদের হাড়ভাঙা খাটুনি শব্দে জেগে ওঠে এই শহর,
রক্তজল করা শ্রমে শুরু হয় নবজীবনের প্রহর।
তপ্ত রোদে পুড়ছে যারা, পাথরে হাতুড়ি হানে,
স্বপ্ন দানা বাঁধে কেবলই তাদের পেশির জোরে।
যাদের ঘামে সিক্ত মাটিতে ফসলের হাসিখানি,
যাদের রক্তে সচল চাকা, সভ্যতার অগ্রবাণী।
আকাশচুম্বী অট্টালিকা কি বিশাল কারখানা,
শ্রমিকেরই হাতের ছোঁয়ায় পূর্ণ শিল্পকলা।
যাদের ঘামের ঘ্রাণে ধন্য সভ্যতার এই মাটি,
শ্রমের দীক্ষায় গড়া যাদের জীবন পরম খাঁটি।
ভিত্তি গড়া সেই মানুষ আজও সয় শুধু লাঞ্ছনা,
হক চাইলে কেন জোটে অবহেলা আর নিষ্ঠুর বঞ্চনা?
হাতুড়ি-শাবলে নতুন সূর্য উঠবেই একদিন ঠিক,
শ্রমিক-হাতের পরশে ধন্য হবে এই দশ দিক।
শ্রমের দামে মুক্তি মিলুক, অধিকারের লড়াই চলুক,
শোষিত প্রাণ জাগুক তবে, সাম্যের গান বিশ্ব বলুক।
কেএসকে
What's Your Reaction?