কমলাপুর স্টেডিয়ামে অব্যবস্থাপনায় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ক্ষোভ, দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ
রাজধানীর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল (কমলাপুর) স্টেডিয়ামের জরাজীর্ণ অবস্থা এবং চরম অব্যবস্থাপনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। আজ রোববার দুপুরে স্টেডিয়ামটি আকস্মিক পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এই অসন্তোষ ব্যক্ত করেন। পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী স্টেডিয়ামের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণের বেহাল দশা লক্ষ্য করেন। তিনি জানান, স্টেডিয়ামটি বর্তমানে অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে এবং এটি মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। এমনকি স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইটের অত্যন্ত মূল্যবান যন্ত্রাংশ ও ব্লাস্ট চুরি হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এ সময় দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা কর্মীদের অবহেলার প্রমাণ পাওয়ায় এনএসসি এর নির্বাহী পরিচালককে দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক বদলির নির্দেশ দেন তিনি। স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুম ও ভেতরের পরিবেশ খেলার অনুপযুক্ত উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এখানে স্টাফরা টিনশেড ঘর বানিয়ে থাকছেন, যা একটি আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়ামের জন্য কাম্য নয়। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাফুফেকে এটি সংস্কারের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেব।’ এসময় তিনি আরও জানান, ফিফার ফান
রাজধানীর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল (কমলাপুর) স্টেডিয়ামের জরাজীর্ণ অবস্থা এবং চরম অব্যবস্থাপনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। আজ রোববার দুপুরে স্টেডিয়ামটি আকস্মিক পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এই অসন্তোষ ব্যক্ত করেন।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী স্টেডিয়ামের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণের বেহাল দশা লক্ষ্য করেন। তিনি জানান, স্টেডিয়ামটি বর্তমানে অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে এবং এটি মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। এমনকি স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইটের অত্যন্ত মূল্যবান যন্ত্রাংশ ও ব্লাস্ট চুরি হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এ সময় দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা কর্মীদের অবহেলার প্রমাণ পাওয়ায় এনএসসি এর নির্বাহী পরিচালককে দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক বদলির নির্দেশ দেন তিনি।
স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুম ও ভেতরের পরিবেশ খেলার অনুপযুক্ত উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এখানে স্টাফরা টিনশেড ঘর বানিয়ে থাকছেন, যা একটি আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়ামের জন্য কাম্য নয়। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাফুফেকে এটি সংস্কারের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেব।’
এসময় তিনি আরও জানান, ফিফার ফান্ডের মাধ্যমে স্টেডিয়ামের সংস্কার কাজ সম্পন্ন হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে সীমানা প্রাচীর উঁচু করা ও কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় মুগদা থানার সহায়তায় সার্বক্ষণিক টহলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দ্রুততম সময়ে স্টেডিয়ামটিকে খেলোয়াড়দের জন্য উপযুক্ত পরিবেশে ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
What's Your Reaction?