কম তেলে গাড়ির মাইলেজ বেশি পেতে ৫ গোপন ট্রিকস শিখে নিন
দিন দিন বাড়ছে পেট্রোল-ডিজেলের দাম। তাই এখন শুধু গাড়ি চালালেই হবে না, চালাতে হবে বুদ্ধি খাটিয়ে। একটু সচেতন হলেই একই তেলে বেশি পথ চলতে পারে আপনার গাড়ি। অনেকেই ভাবেন, মাইলেজ পুরোপুরি গাড়ির উপর নির্ভর করে। কিন্তু বাস্তবে চালানোর অভ্যাস, রক্ষণাবেক্ষণ এবং কিছু ছোট কৌশলই জ্বালানি সাশ্রয়ে বড় ভূমিকা রাখে। জেনে নিন কম তেলে বেশি মাইলেজ পাওয়ার ৫ কার্যকর ট্রিকস- ১. হঠাৎ স্পিড বাড়ানো ও জোরে ব্রেক করা বন্ধ করুন গাড়ি চালানোর সময় বারবার দ্রুত গতি বাড়ানো বা আচমকা ব্রেক করলে ইঞ্জিনকে অতিরিক্ত চাপ নিতে হয়। এতে বেশি জ্বালানি পোড়ে। ধীরে ধীরে গতি বাড়ানো এবং আগেভাগে ব্রেক নিয়ন্ত্রণ করলে তেলের খরচ অনেকটাই কমে। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থির গতিতে গাড়ি চালালে মাইলেজ সবচেয়ে ভালো পাওয়া যায়। ২. হাইওয়েতে জানালা খুলে নয়, এসি চালিয়ে চলুন শহরের ভেতরে কম গতিতে চলার সময় জানালা খোলা রাখা যেতে পারে। তবে হাইওয়েতে বেশি গতিতে গাড়ি চালালে জানালা খোলা থাকায় বাতাসের চাপ বাড়ে এবং গাড়ির গতি কমে যায়। এতে ইঞ্জিনকে বাড়তি শক্তি খরচ করতে হয়। তাই দীর্ঘ রাস্তা বা হাইওয়েতে ২৪-২৫ ডিগ্রি তাপমাত্রায় এসি চালানো তুলনামূলক বেশি সাশ্রয়ী হতে পারে। ৩. অপ
দিন দিন বাড়ছে পেট্রোল-ডিজেলের দাম। তাই এখন শুধু গাড়ি চালালেই হবে না, চালাতে হবে বুদ্ধি খাটিয়ে। একটু সচেতন হলেই একই তেলে বেশি পথ চলতে পারে আপনার গাড়ি। অনেকেই ভাবেন, মাইলেজ পুরোপুরি গাড়ির উপর নির্ভর করে। কিন্তু বাস্তবে চালানোর অভ্যাস, রক্ষণাবেক্ষণ এবং কিছু ছোট কৌশলই জ্বালানি সাশ্রয়ে বড় ভূমিকা রাখে।
জেনে নিন কম তেলে বেশি মাইলেজ পাওয়ার ৫ কার্যকর ট্রিকস-
১. হঠাৎ স্পিড বাড়ানো ও জোরে ব্রেক করা বন্ধ করুন
গাড়ি চালানোর সময় বারবার দ্রুত গতি বাড়ানো বা আচমকা ব্রেক করলে ইঞ্জিনকে অতিরিক্ত চাপ নিতে হয়। এতে বেশি জ্বালানি পোড়ে। ধীরে ধীরে গতি বাড়ানো এবং আগেভাগে ব্রেক নিয়ন্ত্রণ করলে তেলের খরচ অনেকটাই কমে। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থির গতিতে গাড়ি চালালে মাইলেজ সবচেয়ে ভালো পাওয়া যায়।
২. হাইওয়েতে জানালা খুলে নয়, এসি চালিয়ে চলুন
শহরের ভেতরে কম গতিতে চলার সময় জানালা খোলা রাখা যেতে পারে। তবে হাইওয়েতে বেশি গতিতে গাড়ি চালালে জানালা খোলা থাকায় বাতাসের চাপ বাড়ে এবং গাড়ির গতি কমে যায়। এতে ইঞ্জিনকে বাড়তি শক্তি খরচ করতে হয়। তাই দীর্ঘ রাস্তা বা হাইওয়েতে ২৪-২৫ ডিগ্রি তাপমাত্রায় এসি চালানো তুলনামূলক বেশি সাশ্রয়ী হতে পারে।
৩. অপ্রয়োজনীয় ওজন গাড়িতে রাখবেন না
গাড়ির ভেতরে অতিরিক্ত জিনিসপত্র রাখলে গাড়ির ওজন বেড়ে যায়। আর ওজন বাড়লে ইঞ্জিনকে বেশি শক্তি ব্যবহার করতে হয়। ফলে তেলও বেশি খরচ হয়। তাই প্রয়োজন ছাড়া ভারী ব্যাগ, টুলবক্স বা অতিরিক্ত মালামাল গাড়িতে বহন না করাই ভালো।
৪. টায়ারের বাতাস নিয়মিত পরীক্ষা করুন
চাকার বাতাস কম থাকলে গাড়ি ঠিকভাবে চলতে পারে না এবং ইঞ্জিনকে বেশি শক্তি খরচ করতে হয়। এতে জ্বালানি খরচও বেড়ে যায়। তাই সপ্তাহে অন্তত একবার টায়ারের চাপ পরীক্ষা করুন। গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নির্দেশনা অনুযায়ী টায়ারে সঠিক পরিমাণ বাতাস রাখলে মাইলেজ ভালো পাওয়া যায়।
৫. ফিল্টার ও ইঞ্জিন অয়েল পরিষ্কার রাখুন
এয়ার ফিল্টার, এসি ফিল্টার বা ইঞ্জিন অয়েলে ময়লা জমলে গাড়ির পারফরম্যান্স কমে যায়। এতে একই দূরত্ব যেতে বেশি তেল লাগে। নিয়মিত ফিল্টার পরিষ্কার এবং নির্দিষ্ট সময় পর ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করলে গাড়ির ইঞ্জিন ভালো থাকে, পাশাপাশি জ্বালানিও কম খরচ হয়।
অল্প কিছু অভ্যাস বদলালেই মাস শেষে জ্বালানির খরচে বড় পার্থক্য দেখা যেতে পারে। তাই এখন থেকেই সচেতনভাবে গাড়ি চালান, কম তেলে বেশি পথ চলুন।
কেএসকে
What's Your Reaction?