কলকাতার রেড রোডে হচ্ছে না এবারের ঈদের জামাত
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে কলকাতার ঐতিহাসিক রেড রোডে দীর্ঘদিন ধরে ঈদের নামাজের জামাত হয়ে আসছিল। কিন্তু এ বছর বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিদের্শ দিয়েছেন, প্রকাশ্যে রাস্তায় নামাজ পড়া যাবে না। এর পরেই রেড রোডে নামাজ পড়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আয়োজক পশ্চিমবঙ্গ খিলাফত কমিটি। কমিটির চেয়ারম্যান ও তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক জাভেদ খান জানান, বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে নামাজ পড়া হবে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে। এজন্য সেনাবহিনীর কাছ থেকে প্রযোজনীয় অনুমতিও পাওয়া গিয়েছে। ধমর্তলাসহ গোটা ময়দান এলাকা সেনাবাহিনীর অধীনস্থ। জাভেদ খান আরও জানান, রেড রোডে নামাজ নিয়ে রাজ্য সরকারের আপত্তি ছিল। আমরা ব্রিগেডের মাঠে নামাজের জন্য সেনাবাহিনীর অনুমতি পেয়েছি। পুলিশও রাজি। মাঠটি দেখে এসেছি। মাঠে কিছু পেতে নামাজ পড়া হবে। রেড রোডের ঈদের নামাজ ছিল ভারতের সর্বৃহৎ জমায়েত। লাখ লাখ মানুষ এখানে নামাজ পড়তে আসতেন। আগে ধর্তলার শহীদ মিনারের পাদদেশে নামাজ পড়া হতো। বামফ্রন্ট আমলে ১৯৮০ সাল নাগাদ তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুই রেড রোডে নামাজ পড়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। সেই থেকে গত বছর পর্যন্ত রেড রোডেই নামাজ পড়
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে কলকাতার ঐতিহাসিক রেড রোডে দীর্ঘদিন ধরে ঈদের নামাজের জামাত হয়ে আসছিল। কিন্তু এ বছর বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিদের্শ দিয়েছেন, প্রকাশ্যে রাস্তায় নামাজ পড়া যাবে না। এর পরেই রেড রোডে নামাজ পড়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আয়োজক পশ্চিমবঙ্গ খিলাফত কমিটি।
কমিটির চেয়ারম্যান ও তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক জাভেদ খান জানান, বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে নামাজ পড়া হবে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে। এজন্য সেনাবহিনীর কাছ থেকে প্রযোজনীয় অনুমতিও পাওয়া গিয়েছে। ধমর্তলাসহ গোটা ময়দান এলাকা সেনাবাহিনীর অধীনস্থ।
জাভেদ খান আরও জানান, রেড রোডে নামাজ নিয়ে রাজ্য সরকারের আপত্তি ছিল। আমরা ব্রিগেডের মাঠে নামাজের জন্য সেনাবাহিনীর অনুমতি পেয়েছি। পুলিশও রাজি। মাঠটি দেখে এসেছি। মাঠে কিছু পেতে নামাজ পড়া হবে।
রেড রোডের ঈদের নামাজ ছিল ভারতের সর্বৃহৎ জমায়েত। লাখ লাখ মানুষ এখানে নামাজ পড়তে আসতেন। আগে ধর্তলার শহীদ মিনারের পাদদেশে নামাজ পড়া হতো। বামফ্রন্ট আমলে ১৯৮০ সাল নাগাদ তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুই রেড রোডে নামাজ পড়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। সেই থেকে গত বছর পর্যন্ত রেড রোডেই নামাজ পড়া হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিজেপি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈদুল আজহার এবার একদিনই ছুটি থাকবে। গত বছরের ২৭ নভেম্বর যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তাতে বলা হয়েছিল যে কোরবানির ঈদের জন্য ২৭ মে ছুটি থাকবে। ঈদের আগেরদিনও ছুটি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এই ঈদ পালন করা হবে ২৮ মে। তাই শুধুমাত্র ২৮ মে ছুটি থাকবে এ বছর।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা
What's Your Reaction?