কলকাতায় চিকিৎসাধীন সাংবাদিক জীমকে বাঁচাতে সাহায্যের আবেদন
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক তানিউল করিম জীম স্ট্রোক (মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ) করে গত আট দিন ধরে কলকাতার মনিপাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গত ১ মার্চ ব্যাঙ্গালোর থেকে কলকাতা ফেরার পথে তিনি স্ট্রোক করেন এবং তিনদিন ধরে কোমায় আছেন। শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন হওয়ায় তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। সেখানে আইসিইউ চিকিৎসা বাবদ প্রতিদিন প্রায় দুই লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে। এমতাবস্থায় জীমের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়েছেন তার পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মনিপাল হাসপাতালে আইসিইউ চার্জ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ মিলে প্রতিদিন প্রায় দুই লাখ টাকা খরচ হচ্ছে। এটি তার পরিবারের পক্ষে বহন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি আইসিইউ চিকিৎসা, ওষুধ ও অন্যান্য চিকিৎসা ব্যয়ের জন্য বিপুল অর্থ প্রয়োজন, যা তার পরিবারের পক্ষে একা বহন করা প্রায় অসম্ভব। এই পরিস্থিতিতে তার সহপাঠী, জুনিয়র, সিনিয়র, বন্ধু, শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারী, কৃষিবিদ অ্যালামনাই পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সবার কাছে আন্তরিক সহযোগিতা কামনা
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক তানিউল করিম জীম স্ট্রোক (মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ) করে গত আট দিন ধরে কলকাতার মনিপাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গত ১ মার্চ ব্যাঙ্গালোর থেকে কলকাতা ফেরার পথে তিনি স্ট্রোক করেন এবং তিনদিন ধরে কোমায় আছেন। শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন হওয়ায় তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।
সেখানে আইসিইউ চিকিৎসা বাবদ প্রতিদিন প্রায় দুই লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে। এমতাবস্থায় জীমের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়েছেন তার পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মনিপাল হাসপাতালে আইসিইউ চার্জ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ মিলে প্রতিদিন প্রায় দুই লাখ টাকা খরচ হচ্ছে। এটি তার পরিবারের পক্ষে বহন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি আইসিইউ চিকিৎসা, ওষুধ ও অন্যান্য চিকিৎসা ব্যয়ের জন্য বিপুল অর্থ প্রয়োজন, যা তার পরিবারের পক্ষে একা বহন করা প্রায় অসম্ভব।
এই পরিস্থিতিতে তার সহপাঠী, জুনিয়র, সিনিয়র, বন্ধু, শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারী, কৃষিবিদ অ্যালামনাই পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সবার কাছে আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে তার পরিবার।
জীমকে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সহযোগিতা পাঠানো যাবে। জীমের ছোট ভাই তাজনুর করিম মীমের মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশ ও নগদ নম্বর- ০১৩০৯০৭৪৭৬ এবং রকেট নম্বর ০১৩০৯০৭৪৮৭৬৫।
এছাড়া ব্যাংকে সহযোগিতা পাঠানোর জন্য ইসলামী ব্যাংক পিএলসির অ্যাকাউন্ট নম্বর- ২০৫০৪৭৪০২০০১৬২৯০২, অ্যাকাউন্ট নাম : TAJNUR KARIM MIM (জীমের আপন ছোট ভাই) ; শাখা : বনপাড়া, নাটোর শাখা : রাউটিং নাম্বার: ১২৫৬৯০২৮৭ এবং সুইফ্ট কোড: IBBLBDDH474 এর মাধ্যমে সহযোগিতা পাঠানো যাবে।
প্রসঙ্গত, তানিউল করিম জীম বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ সেশনের কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের শিক্ষার্থী ছিলেন। বর্তমানে কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগে স্নাতকোত্তর অধ্যয়নরত। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও তিনি দৈনিক কালবেলার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি।
What's Your Reaction?