‘কাগজ’ সিনেমার মাটির পোস্টার এখন চলচ্চিত্র আর্কাইভে

প্রচারণার জন্য তৈরি হলেও শিল্পমূল্যের কারণে ইতিহাসের অংশ হয়ে গেল ‘কাগজ’ সিনেমার মাটির তৈরি পোস্টার। ব্যতিক্রমধর্মী এই ত্রিমাত্রিক (টেরাকোটা) পোস্টারটি বর্তমানে সংরক্ষিত রয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র আর্কাইভে। সাধারণত ডিজিটাল বা প্রিন্ট পোস্টারের ভিড়ে এই পোস্টারটি ছিল সম্পূর্ণ হাতে গড়া। চিত্রশিল্পী রিংকু ও তার দুই সহকারী মিলে প্রায় এক মাস সময় নিয়ে এটি তৈরি করেন। পরিচালক আলী জুলফিকার জাহেদীর তত্ত্বাবধানে নির্মিত প্রায় ছয় ফুট উচ্চতার এই রিলিফধর্মী পোস্টারটি তৈরিতে খরচ হয়েছিল আনুমানিক দুই লাখ টাকা। মাটি প্রস্তুত, শুকানো এবং রঙের সূক্ষ্ম ব্যবহারে এতে ত্রিমাত্রিক প্রভাব ফুটিয়ে তোলা হয়। প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য ছিল চলচ্চিত্র প্রচারণার সঙ্গে আবহমান বাংলার লোকজ মাটির শিল্পকে যুক্ত করা। পোস্টারটির দুটি কপির একটি যমুনা ফিউচার পার্কের ব্লকবাস্টার করিডরে এবং অন্যটি এফডিসি প্রাঙ্গণে প্রদর্শিত হয়, যা তখন দর্শকনন্দিত হয়েছিল। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে পরিচালক আনুষ্ঠানিকভাবে পোস্টারটি ও সিনেমার ডিজিটাল কপি বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে হস্তান্তর করেন। ভাস্কর্যশৈলী ও সিনেমার এই ফিউশনকে গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে গ্

‘কাগজ’ সিনেমার মাটির পোস্টার এখন চলচ্চিত্র আর্কাইভে

প্রচারণার জন্য তৈরি হলেও শিল্পমূল্যের কারণে ইতিহাসের অংশ হয়ে গেল ‘কাগজ’ সিনেমার মাটির তৈরি পোস্টার। ব্যতিক্রমধর্মী এই ত্রিমাত্রিক (টেরাকোটা) পোস্টারটি বর্তমানে সংরক্ষিত রয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র আর্কাইভে।

সাধারণত ডিজিটাল বা প্রিন্ট পোস্টারের ভিড়ে এই পোস্টারটি ছিল সম্পূর্ণ হাতে গড়া। চিত্রশিল্পী রিংকু ও তার দুই সহকারী মিলে প্রায় এক মাস সময় নিয়ে এটি তৈরি করেন। পরিচালক আলী জুলফিকার জাহেদীর তত্ত্বাবধানে নির্মিত প্রায় ছয় ফুট উচ্চতার এই রিলিফধর্মী পোস্টারটি তৈরিতে খরচ হয়েছিল আনুমানিক দুই লাখ টাকা। মাটি প্রস্তুত, শুকানো এবং রঙের সূক্ষ্ম ব্যবহারে এতে ত্রিমাত্রিক প্রভাব ফুটিয়ে তোলা হয়।

প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য ছিল চলচ্চিত্র প্রচারণার সঙ্গে আবহমান বাংলার লোকজ মাটির শিল্পকে যুক্ত করা। পোস্টারটির দুটি কপির একটি যমুনা ফিউচার পার্কের ব্লকবাস্টার করিডরে এবং অন্যটি এফডিসি প্রাঙ্গণে প্রদর্শিত হয়, যা তখন দর্শকনন্দিত হয়েছিল।

২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে পরিচালক আনুষ্ঠানিকভাবে পোস্টারটি ও সিনেমার ডিজিটাল কপি বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে হস্তান্তর করেন। ভাস্কর্যশৈলী ও সিনেমার এই ফিউশনকে গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে গ্রহণ করে কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে এটি চলচ্চিত্র আর্কাইভের জাদুঘরে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow