যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির জন্য চার শর্ত দিলেন নেতানিয়াহু
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ চুক্তির জন্য চারটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত তুলে ধরেছেন।
রোববার এআইপিএসিতে দেওয়া এক বক্তব্যে নেতানিয়াহু বলেন, শুধু ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করলেই হবে না। তিনি দাবি করেন, ইরানের সম্পূর্ণ পারমাণবিক অবকাঠামো ভেঙে ফেলতে হবে, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশ থেকে সরিয়ে নিতে হবে, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ৩০০ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ করতে হবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধ করতে হবে।
এদিকে মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য নতুন ইসরায়েলি হামলায় সহায়তার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন।
সিবিএস নিউজ জানায়, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো বৈঠকে নেতানিয়াহুকে বলেছিলেন, যদি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চুক্তি না হয়, তাহলে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ওপর হামলায় তিনি সমর্থন দেবেন।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, আলোচনায় ইসরায়েল হামলা চালাবে কি না, তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র কীভা
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ চুক্তির জন্য চারটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত তুলে ধরেছেন।
রোববার এআইপিএসিতে দেওয়া এক বক্তব্যে নেতানিয়াহু বলেন, শুধু ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করলেই হবে না। তিনি দাবি করেন, ইরানের সম্পূর্ণ পারমাণবিক অবকাঠামো ভেঙে ফেলতে হবে, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশ থেকে সরিয়ে নিতে হবে, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ৩০০ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ করতে হবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধ করতে হবে।
এদিকে মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য নতুন ইসরায়েলি হামলায় সহায়তার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন।
সিবিএস নিউজ জানায়, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো বৈঠকে নেতানিয়াহুকে বলেছিলেন, যদি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চুক্তি না হয়, তাহলে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ওপর হামলায় তিনি সমর্থন দেবেন।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, আলোচনায় ইসরায়েল হামলা চালাবে কি না, তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে সহায়তা দিতে পারে সে বিষয়ে। এর মধ্যে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানকে আকাশে জ্বালানি সরবরাহ এবং সম্ভাব্য ফ্লাইট রুটে বিভিন্ন দেশের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে।
তবে ইরাক, জর্ডান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত এরই মধ্যে জানিয়েছে, তারা তাদের আকাশসীমা ইরানের ওপর হামলার জন্য ব্যবহার করতে দেবে না।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডসহ একটি স্ট্রাইক গ্রুপ মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হচ্ছে। অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, তিনি ইরান ইস্যুতে কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দেন। মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার শিগগিরই ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে পৌঁছেছেন। সেখানে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক সংস্থা আইএইএসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।