কাজিনরা মুখিয়ে থাকে আমি কত সালামি দিবো: জিম
উৎসবের এই আমেজে চারদিকে এখন কেবলই ঈদের আনন্দ। আর ঈদ মানেই নতুন পোশাক ঘোরাঘুরি ও সালামি পাওয়ার এক অন্যরকম উচ্ছ্বাস। ছোটবেলার সেই সালামি পাওয়ার আনন্দ এখন পাল্টে গেছে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জিমের জীবনে। এখন আয় করার কারণে ঈদে তাকেই সালামি দিতে হয় বেশি এবং তার সালামির জন্য রীতিমতো মুখিয়ে থাকে ছোট ভাইবোন ও কাজিনরা। এবারের ঈদে ডজনখানেক নাটক এবং ঈদ নিয়ে এমন নানা মজার স্মৃতি কালবেলার সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
এবারের ঈদে আপনার কাজের সংখ্যা কেমন?
এবারের ঈদে আমার সবচেয়ে বেশি কাজ আসছে। কারণ বিগত ঈদগুলোতে দেখা গেছে দুটির বেশি নাটক আসেনি। এবার বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে আমার ১১ থেকে ১৩টির মতো নাটক আসবে। রোমান্টিক, স্যাড রোমান্টিক, রমকমসহ বিভিন্ন ধরনের গল্পে কাজ করেছি। প্রতিটি নাটকেই দর্শক আমাকে নতুন এবং ভিন্নধর্মী চরিত্রে দেখতে পাবেন। আগের কোনো কাজের সঙ্গে এবারের চরিত্রগুলোর কোনো মিল থাকবে না।
এতগুলো নাটকে কাদের পরিচালনায় কাজ করেছেন?
মাবরুর রশিদ বান্নাহ ভাইয়ের পরিচালনায় বেশ কিছু রোমান্টিক কাজ করেছি। এর মধ্যে রয়েছে ‘লাভ স্টোরি অব দ্য ইয়ার’ জিটিভিতে এবং ‘লাভ ওয়ান্স এগেইন’। এ ছাড়া ‘
উৎসবের এই আমেজে চারদিকে এখন কেবলই ঈদের আনন্দ। আর ঈদ মানেই নতুন পোশাক ঘোরাঘুরি ও সালামি পাওয়ার এক অন্যরকম উচ্ছ্বাস। ছোটবেলার সেই সালামি পাওয়ার আনন্দ এখন পাল্টে গেছে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জিমের জীবনে। এখন আয় করার কারণে ঈদে তাকেই সালামি দিতে হয় বেশি এবং তার সালামির জন্য রীতিমতো মুখিয়ে থাকে ছোট ভাইবোন ও কাজিনরা। এবারের ঈদে ডজনখানেক নাটক এবং ঈদ নিয়ে এমন নানা মজার স্মৃতি কালবেলার সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
এবারের ঈদে আপনার কাজের সংখ্যা কেমন?
এবারের ঈদে আমার সবচেয়ে বেশি কাজ আসছে। কারণ বিগত ঈদগুলোতে দেখা গেছে দুটির বেশি নাটক আসেনি। এবার বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে আমার ১১ থেকে ১৩টির মতো নাটক আসবে। রোমান্টিক, স্যাড রোমান্টিক, রমকমসহ বিভিন্ন ধরনের গল্পে কাজ করেছি। প্রতিটি নাটকেই দর্শক আমাকে নতুন এবং ভিন্নধর্মী চরিত্রে দেখতে পাবেন। আগের কোনো কাজের সঙ্গে এবারের চরিত্রগুলোর কোনো মিল থাকবে না।
এতগুলো নাটকে কাদের পরিচালনায় কাজ করেছেন?
মাবরুর রশিদ বান্নাহ ভাইয়ের পরিচালনায় বেশ কিছু রোমান্টিক কাজ করেছি। এর মধ্যে রয়েছে ‘লাভ স্টোরি অব দ্য ইয়ার’ জিটিভিতে এবং ‘লাভ ওয়ান্স এগেইন’। এ ছাড়া ‘লাভ স্টোরি ১৯৯৪’ নামে নব্বই দশকের আবহের একটি গল্প করেছি। মেহেদী হাসান জনি ভাইয়ের পরিচালনায় ‘সুইসাইড পার্টনার’, ‘মন বদলের গল্প’ এবং ‘একই ছাদের নিচে’ নাটকগুলো আসবে। রাসেল আজম ভাইয়ের ‘আমার স্বপ্ন তুমি’ এবং রাকেশ বসু ভাইয়ের ‘সিন্ডিকেট বাদল’। আর রাকিবুল হাসান ভাইয়ের পরিচালনায় ইরফান সাজ্জাদের বিপরীতে ‘পাশে থেকো’।
একসঙ্গে এতগুলো ভিন্ন চরিত্রে মানিয়ে নেওয়া কতটা চ্যালেঞ্জিং ছিল?
সত্যিই খুব চ্যালেঞ্জিং ছিল। টানা শুটিং করেছি। তিনদিন এক নাটকের শুটিং শেষ করেই আবার নতুন ক্যারেক্টারে ঢুকেছি। নিজেকে প্রস্তুত করার জন্য নাটকের স্ক্রিপ্ট বারবার পড়েছি। চ্যালেঞ্জিং হলেও পুরো প্রক্রিয়াটি আমার কাছে খুব মজার ছিল।
তারকা হওয়ার আগের ঈদ আর এখনকার ঈদের মধ্যে কী পার্থক্য দেখেন?
অনেক তফাত আছে। আগে যখন গ্রামের বাড়ি যেতাম তখন কেউ আমাকে সেলিব্রিটি হিসেবে দেখত না। সবাই একসঙ্গে খেলতাম, আড্ডা দিতাম। কিন্তু তারকা হওয়ার পর মনে হয় সবাই একটু আলাদা চোখে দেখে। এই আলাদা চোখে দেখাটা আমার একদমই পছন্দ না। এখন আমাকেই সেধে সবার সঙ্গে গিয়ে কথা বলতে হয়, মিশতে হয়। কারণ তারা হয়তো ভাবে আমি তারকা হয়ে গেছি বলে অহংকারী হয়ে গেছি কি না। আগের সেই সহজ ব্যাপারটা খুব মিস করি।
কাজিনদের সঙ্গে সালামি নিয়ে কেমন মজা হতো?
ছোটবেলায় সব কাজিন মিলে বড়দের সিরিয়াল ধরে সালাম করতাম। কে কত টাকা সালামি পেলাম তা গুনতাম। এই ব্যাপারগুলো এখনো খুব মিস করি। এখন যেহেতু ইনকাম করি, তাই সালামি দেওয়ার পাল্লাই বেশি ভারী। ছোট ভাইবোন বা কাজিনরা মুখিয়ে থাকে জিম আপু এবার কত সালামি দেবে। তারা আবার নিজেদের মধ্যে আলাপও করে কে কত পেল। আমি চেষ্টা করি সবাইকে ভালোভাবে সালামি দেওয়ার। তবে এখনো গুরুজন বা বাবা-মায়ের কাছ থেকে আমি সালামি পাই।
এবারের ঈদে কেনাকাটা এবং প্রিয় খাবারের বিষয়ে জানতে চাই?
টানা শুটিংয়ের কারণে এবার নিজের জন্য তেমন শপিং করার সুযোগ পাইনি। একদিন গ্যাপ পেয়ে ছোট বোনকে নিয়ে সকাল থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত সবার জন্য টুকটাক কেনাকাটা করেছি। আর ঈদের দিনের সবচেয়ে প্রিয় খাবার হলো আম্মুর হাতের স্পেশাল নুডলস আর চটপটি। নিজে ওভাবে রান্না না করলেও মাঝে মাঝে শখ করে পায়েশ রান্না করি।
এবারের ঈদের দিনটি কীভাবে কাটাবেন এবং দর্শকদের জন্য কী বলবেন?
যেহেতু টানা শুটিং করেছি তাই এবারের ঈদটা শুধু পরিবারকেই দেব। দাদা ও নানার বাড়িসহ আত্মীয়দের বাসায় ঘুরতে যাব। আর আমার অসংখ্য ভক্ত এবং কালবেলার দর্শকদের উদ্দেশে বলব, ঈদে আমার অনেকগুলো নাটক আসছে। আপনারা পরিবারের সবাইকে নিয়ে নাটকগুলো দেখবেন। ভালো-খারাপ দুই ধরনের মন্তব্যই করবেন, যাতে ভুলগুলো শুধরে ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ উপহার দিতে পারি। কালবেলা এবং সবাইকে ঈদের অনেক শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক।