কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়া মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে এখনও পানি
রাজধানীতে টানা বৃষ্টির কারণে মিরপুর এলাকার কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়া মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে এখনও হাঁটুপানি জমে আছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল থেকে আবারও বৃষ্টি হওয়ায় জমে থাকা পানি কমার পরিবর্তে আরও বেড়েছে। এতে মেট্রোরেলে ওঠানামা করা যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে মিরপুর থেকে মতিঝিলগামী লেনের বাম পাশের এলাকায় জলাবদ্ধতার প্রভাব বেশি দেখা গেছে। স্টেশনে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় যাত্রীদের হাঁটুপানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। নারী, শিশু, বয়স্ক এবং অফিসগামীদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। আরও পড়ুন ঢাকাসহ ৬ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে শুধু পথচারী নয়, জলাবদ্ধতার কারণে ওই এলাকায় রিকশা ও বাস চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে। অনেক যাত্রী পানি জমে থাকার কারণে রিকশা বা বাসে উঠতে পারছেন না। ফলে মেট্রোরেলের যাত্রা শেষ করেও গন্তব্যে পৌঁছাতে বাড়তি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন তারা। মিরপুরের বাসিন্দা সুমাইয়া আক্তার বলেন, মেট্রোরেল থেকে নেমে হাঁটুপানি পেরিয়ে যেতে হচ্ছে। ছোট বাচ্চাকে নিয়ে চলাফেরা খুবই কষ্টকর। অফিসগামী রাকিব হাসান বলেন, মেট্রোরেল দ্রুত চললেও স্টেশনের নিচে এমন জলাবদ্ধতা থাকলে স
রাজধানীতে টানা বৃষ্টির কারণে মিরপুর এলাকার কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়া মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে এখনও হাঁটুপানি জমে আছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল থেকে আবারও বৃষ্টি হওয়ায় জমে থাকা পানি কমার পরিবর্তে আরও বেড়েছে। এতে মেট্রোরেলে ওঠানামা করা যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
বিশেষ করে মিরপুর থেকে মতিঝিলগামী লেনের বাম পাশের এলাকায় জলাবদ্ধতার প্রভাব বেশি দেখা গেছে। স্টেশনে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় যাত্রীদের হাঁটুপানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। নারী, শিশু, বয়স্ক এবং অফিসগামীদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি।
শুধু পথচারী নয়, জলাবদ্ধতার কারণে ওই এলাকায় রিকশা ও বাস চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে। অনেক যাত্রী পানি জমে থাকার কারণে রিকশা বা বাসে উঠতে পারছেন না। ফলে মেট্রোরেলের যাত্রা শেষ করেও গন্তব্যে পৌঁছাতে বাড়তি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন তারা।
মিরপুরের বাসিন্দা সুমাইয়া আক্তার বলেন, মেট্রোরেল থেকে নেমে হাঁটুপানি পেরিয়ে যেতে হচ্ছে। ছোট বাচ্চাকে নিয়ে চলাফেরা খুবই কষ্টকর।
অফিসগামী রাকিব হাসান বলেন, মেট্রোরেল দ্রুত চললেও স্টেশনের নিচে এমন জলাবদ্ধতা থাকলে সেই সুবিধার অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা উচিত।
মো. সোহেল নামের আরেক যাত্রী বলেন, রিকশা পাওয়া যাচ্ছে না, বাসেও ওঠা যাচ্ছে না। প্রতিদিন একই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সামান্য বৃষ্টিতেই কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়া এলাকায় পানি জমে যায়। কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এ সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে চললেও স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।
দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
ইএআর/এমআইএইচএস
What's Your Reaction?
