কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে নারী শ্রমিক ধর্ষণের শিকার, গ্রেপ্তার ১

নরসিংদীর মাধবদীতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে এক টেক্সটাইল মিলের ১৬ বছর বয়সী নারী শ্রমিক ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৩ জুন) রাতে সদর উপজেলার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের পৌলানপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মাহাবুব নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া ভুক্তভোগীর পিতা বাদী হয়ে দুইজনকে আসামি করে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মাধবদী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার মাহাবুব পৌলানপুর গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে। অপর অভিযুক্ত মোশাররফ মিয়া, একই গ্রামের মোতালিব মেম্বারের ছেলে, বর্তমানে পলাতক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী মেহেরপাড়া ইউনিয়নের চৈতাব এলাকার একটি টেক্সটাইল মিলে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে মোশাররফ তাকে ‘কথা আছে’ বলে পাশের একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে মোশাররফ ও মাহাবুব মিলে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এলে মোশাররফ পালিয়ে যায়। তবে মাহাবুবকে আটক করে জনতা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, ধ

কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে নারী শ্রমিক ধর্ষণের শিকার, গ্রেপ্তার ১

নরসিংদীর মাধবদীতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে এক টেক্সটাইল মিলের ১৬ বছর বয়সী নারী শ্রমিক ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (৩ জুন) রাতে সদর উপজেলার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের পৌলানপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় মাহাবুব নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া ভুক্তভোগীর পিতা বাদী হয়ে দুইজনকে আসামি করে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মাধবদী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার মাহাবুব পৌলানপুর গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে। অপর অভিযুক্ত মোশাররফ মিয়া, একই গ্রামের মোতালিব মেম্বারের ছেলে, বর্তমানে পলাতক রয়েছে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী মেহেরপাড়া ইউনিয়নের চৈতাব এলাকার একটি টেক্সটাইল মিলে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে মোশাররফ তাকে ‘কথা আছে’ বলে পাশের একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে মোশাররফ ও মাহাবুব মিলে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এলে মোশাররফ পালিয়ে যায়। তবে মাহাবুবকে আটক করে জনতা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, ধর্ষণের পর তার মোবাইল ফোন রেখে দিয়ে টাকা দাবি করা হয়। পরে তিনি বাড়ি থেকে দুই হাজার টাকা এনে দিলে মোবাইল ফেরত দেওয়া হয়। এ সময় অভিযুক্তরা ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়েছে বলে দাবি করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেয় বলে তিনি জানান।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত দুইজন এলাকায় মাদকাসক্ত হিসেবে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে ছিনতাই, চুরি এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে।

এ বিষয়ে মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, 'ভুক্তভোগীর পিতার দায়ের করা মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ও অপরজনকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow