কাপ্তাই বিদ্যুৎকেন্দ্রে ধস, ৫ ইউনিটের ৪টিই বন্ধ

দীর্ঘদিনের অনাবৃষ্টি ও তীব্র তাপদাহে কাপ্তাই হ্রদের পানি সংকট চরমে পৌঁছেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে। ৫টি ইউনিটের মধ্যে ৪টি বন্ধ রেখে বর্তমানে মাত্র একটি ইউনিটে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, সব ইউনিট সচল থাকলেও পানির অভাবে সেগুলো চালানো যাচ্ছে না। ফলে ৫টি ইউনিটের মধ্যে শুধু ১ নম্বর ইউনিট চালু রেখে সীমিত আকারে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট, আর পূর্ণ সক্ষমতায় তা ২৪০ মেগাওয়াট পর্যন্ত উঠতে পারে। কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, এ সময় হ্রদের পানির স্তর থাকার কথা ছিল ৮৩ দশমিক ৮০ মিন সি লেভেল (এমএসএল)। কিন্তু বর্তমানে তা নেমে এসেছে ৭৭ দশমিক ৪৭ এমএসএলে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তবে ভারী বৃষ্টিপাত হলে লেকে পানি বাড়লে বিদ্যুৎ উৎপাদনও বাড়বে।  প্রসঙ্গত, পানির স্তর ৬৮ এমএসএলে নেমে গেলে উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। যেখানে হ্রদের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ এমএসএল। এদিকে হ্রদের পানি

কাপ্তাই বিদ্যুৎকেন্দ্রে ধস, ৫ ইউনিটের ৪টিই বন্ধ
দীর্ঘদিনের অনাবৃষ্টি ও তীব্র তাপদাহে কাপ্তাই হ্রদের পানি সংকট চরমে পৌঁছেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে। ৫টি ইউনিটের মধ্যে ৪টি বন্ধ রেখে বর্তমানে মাত্র একটি ইউনিটে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, সব ইউনিট সচল থাকলেও পানির অভাবে সেগুলো চালানো যাচ্ছে না। ফলে ৫টি ইউনিটের মধ্যে শুধু ১ নম্বর ইউনিট চালু রেখে সীমিত আকারে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট, আর পূর্ণ সক্ষমতায় তা ২৪০ মেগাওয়াট পর্যন্ত উঠতে পারে। কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, এ সময় হ্রদের পানির স্তর থাকার কথা ছিল ৮৩ দশমিক ৮০ মিন সি লেভেল (এমএসএল)। কিন্তু বর্তমানে তা নেমে এসেছে ৭৭ দশমিক ৪৭ এমএসএলে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তবে ভারী বৃষ্টিপাত হলে লেকে পানি বাড়লে বিদ্যুৎ উৎপাদনও বাড়বে।  প্রসঙ্গত, পানির স্তর ৬৮ এমএসএলে নেমে গেলে উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। যেখানে হ্রদের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ এমএসএল। এদিকে হ্রদের পানি কমে যাওয়ায় শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনই নয়, স্থানীয় জনজীবনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। রাঙামাটির বিলাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি, লংগদু ও বাঘাইছড়ি উপজেলার নৌপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হ্রদের বিভিন্ন স্থানে চর জেগে ওঠায় নৌযান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, পাশাপাশি পলি জমে নাব্যতা সংকটও বাড়ছে। ফলে হ্রদনির্ভর ব্যবসা-বাণিজ্য ও জীবিকার সঙ্গে যুক্ত হাজারো মানুষ কর্মসংকটের মুখে পড়ার শঙ্কায় রয়েছেন। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow