কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, বংশবৃদ্ধি এবং অবমুক্ত করা পোনার স্বাভাবিক বিস্তার নিশ্চিত করতে সব ধরনের মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।  সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৪ এপ্রিল দিবাগত মধ্যরাত থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত হ্রদে সব ধরনের মৎস্য আহরণ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। সভায় জানানো হয়, আগামী ২৪ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে মাছ শিকার বন্ধ হলেও ২৫ এপ্রিল বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিএফডিসি ঘাটে আহরিত মাছ অবতরণ করা যাবে। এছাড়া আগামী ২ মে থেকে হ্রদে নতুন করে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ প্রক্রিয়া শুরু হবে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন হ্রদে অবৈধ মাছ শিকার রোধে নৌ-পুলিশ ও বিএফডিসির সমন্বয়ে নিয়মিত টহল দেওয়া হবে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে স্থাপন করা হবে অস্থায়ী চেকপোস্ট। পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানও অব্যাহত থাকবে। রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী জানান, মাছ ধরা বন্ধ থাকাকালীন কাপ্তাই হ্রদের ওপর নির্ভরশীল কার্ডধারী জেলেদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ভিজিএফ কর্

কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি
রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, বংশবৃদ্ধি এবং অবমুক্ত করা পোনার স্বাভাবিক বিস্তার নিশ্চিত করতে সব ধরনের মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।  সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৪ এপ্রিল দিবাগত মধ্যরাত থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত হ্রদে সব ধরনের মৎস্য আহরণ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। সভায় জানানো হয়, আগামী ২৪ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে মাছ শিকার বন্ধ হলেও ২৫ এপ্রিল বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিএফডিসি ঘাটে আহরিত মাছ অবতরণ করা যাবে। এছাড়া আগামী ২ মে থেকে হ্রদে নতুন করে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ প্রক্রিয়া শুরু হবে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন হ্রদে অবৈধ মাছ শিকার রোধে নৌ-পুলিশ ও বিএফডিসির সমন্বয়ে নিয়মিত টহল দেওয়া হবে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে স্থাপন করা হবে অস্থায়ী চেকপোস্ট। পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানও অব্যাহত থাকবে। রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী জানান, মাছ ধরা বন্ধ থাকাকালীন কাপ্তাই হ্রদের ওপর নির্ভরশীল কার্ডধারী জেলেদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় বিশেষ চাল বরাদ্দ দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি সর্ব-সাধারণকে জানাতে নৌ ও সড়কপথে মাইকিং করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ইশতিয়াক হায়দার, বিএফডিসি রাঙামাটির কমান্ডার মো. ফয়েজ আল করিম, চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহকারী নৌ-পুলিশ সুপার আবু মো. দিলওয়ার হাসান ইনাম, রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসীম উদ্দীন চৌধুরী এবং জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান। এছাড়াও মৎস্যজীবী ও জেলে প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ মাছ শিকার বা বাজারজাত করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow