কাফনে রক্তের দাগ দেখে জানাজা স্থগিত
চট্টগ্রামের রাউজানে দাফনের প্রস্তুতির সময় কাফনের কাপড়ে রক্তের দাগ দেখতে পেয়ে সিরাজ উদ্দৌলা দুলাল (৭৫) নামের এক ব্যক্তির জানাজা স্থগিত করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হেফাজতে নেয়। রোববার (৭ জুন) বিকেলে উপজেলার পূর্বগুজরা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ননা হাজী তালুকদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম নগরের একটি বাসায় সিরাজ উদ্দৌলার মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে স্বজনদের জানানো হয়। পরে দাফনের জন্য তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। আসরের নামাজের পর জানাজার প্রস্তুতি চলাকালে কাফনের কাপড়ে রক্তের দাগ দেখতে পান উপস্থিত লোকজন। এতে মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ দেখা দিলে দাফনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয় এবং পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দা আব্বাস উদ্দিন বলেন, কবর খোঁড়াসহ জানাজার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছিল। মরদেহ খাটিয়ায় তোলার সময় কাফনের কাপড়ে রক্তের দাগ দেখে উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। নিহতের ভগ্নিপতি মো. ইউসুফ বাবুল দাবি করেন, সম্প্রতি পারিবারিক কলহের কারণে সিরাজ
চট্টগ্রামের রাউজানে দাফনের প্রস্তুতির সময় কাফনের কাপড়ে রক্তের দাগ দেখতে পেয়ে সিরাজ উদ্দৌলা দুলাল (৭৫) নামের এক ব্যক্তির জানাজা স্থগিত করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হেফাজতে নেয়।
রোববার (৭ জুন) বিকেলে উপজেলার পূর্বগুজরা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ননা হাজী তালুকদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম নগরের একটি বাসায় সিরাজ উদ্দৌলার মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে স্বজনদের জানানো হয়। পরে দাফনের জন্য তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। আসরের নামাজের পর জানাজার প্রস্তুতি চলাকালে কাফনের কাপড়ে রক্তের দাগ দেখতে পান উপস্থিত লোকজন। এতে মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ দেখা দিলে দাফনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয় এবং পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্বাস উদ্দিন বলেন, কবর খোঁড়াসহ জানাজার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছিল। মরদেহ খাটিয়ায় তোলার সময় কাফনের কাপড়ে রক্তের দাগ দেখে উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়।
নিহতের ভগ্নিপতি মো. ইউসুফ বাবুল দাবি করেন, সম্প্রতি পারিবারিক কলহের কারণে সিরাজ উদ্দৌলা কিছুদিন আত্মীয়ের বাসায় ছিলেন। পরে তিনি নিজ বাসায় ফিরে যান। তার মাথায় কোপের মতো কয়েকটি চিহ্ন রয়েছে বলে অভিযোগ করে মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন তিনি।
তবে ওই ব্যক্তির স্ত্রী জাহেদা বেগমের দাবি, তার স্বামীর মৃত্যু স্বাভাবিকভাবে হয়েছে। মৃত্যুর দুই দিন আগে তিনি চেয়ার থেকে পড়ে গিয়ে সামান্য আঘাত পেয়েছিলেন।
খবর পেয়ে রাউজান থানা-পুলিশ রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
রাউজান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাদ্দাম হোসেন বলেন, মরদেহের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমআরএএইচ/এমআইএইচএস
What's Your Reaction?