কারবালার শহীদদের স্মরণে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিতে দোয়া মাহফিল
পবিত্র আশুরা ও কারবালার শহীদদের স্মরণে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিতে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বাদ আছর সমিতির মসজিদে এ মাহফিলের আয়োজন করে আল কোরআন স্টাডি সেন্টার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী গিয়াস উদ্দিন আহম্মেদ। প্রধান আলোচক ছিলেন ইসলামিক স্কলার শায়েখ মু. জামাল উদ্দিন। এছাড়া বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সাবেক সহ-সভাপতি খালেদ আহমেদ, মাওলানা খন্দকার শহীদুল হক, খন্দকার রেজাউল করিম ও জাকারিয়া সরকার। সঞ্চালনা করেন মুজাহিদুল ইসলাম। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন আইনজীবী আশরাফ-উজ-জামান। আলোচনায় শায়েখ মু. জামাল উদ্দিন কারবালার ঘটনাকে ইসলামের ইতিহাসে সত্য ও মিথ্যার সংঘাতের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কারবালা প্রান্তরে এজিদের সঙ্গে হযরত হোসেনের (রা.) লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে মূলত সত্য-মিথ্যার দ্বন্দ্বের প্রকাশ ঘটেছে। হোসেন (রা.) খেলাফত প্রশ্নে এজিদের সঙ্গে কোনো আপস করেননি, রাজতন্ত্র মেনে নেননি। তিনি আরও বলেন, হযরত হোসেন (রা.) জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নিজের অবস্থানে অবিচল থেকে এ বিশ্বাসের সাক্ষ্
পবিত্র আশুরা ও কারবালার শহীদদের স্মরণে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিতে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বাদ আছর সমিতির মসজিদে এ মাহফিলের আয়োজন করে আল কোরআন স্টাডি সেন্টার।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী গিয়াস উদ্দিন আহম্মেদ। প্রধান আলোচক ছিলেন ইসলামিক স্কলার শায়েখ মু. জামাল উদ্দিন। এছাড়া বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সাবেক সহ-সভাপতি খালেদ আহমেদ, মাওলানা খন্দকার শহীদুল হক, খন্দকার রেজাউল করিম ও জাকারিয়া সরকার। সঞ্চালনা করেন মুজাহিদুল ইসলাম। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন আইনজীবী আশরাফ-উজ-জামান।
আলোচনায় শায়েখ মু. জামাল উদ্দিন কারবালার ঘটনাকে ইসলামের ইতিহাসে সত্য ও মিথ্যার সংঘাতের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কারবালা প্রান্তরে এজিদের সঙ্গে হযরত হোসেনের (রা.) লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে মূলত সত্য-মিথ্যার দ্বন্দ্বের প্রকাশ ঘটেছে। হোসেন (রা.) খেলাফত প্রশ্নে এজিদের সঙ্গে কোনো আপস করেননি, রাজতন্ত্র মেনে নেননি।
তিনি আরও বলেন, হযরত হোসেন (রা.) জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নিজের অবস্থানে অবিচল থেকে এ বিশ্বাসের সাক্ষ্য রেখে গেছেন যে, অন্যায় শাসনব্যবস্থার সঙ্গে আপস করা যায় না।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি হযরত হোসেনের (রা.) শাহাদাতের পূর্ববর্তী কিছু আধ্যাত্মিক ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় হযরত হোসেন (রা.) তার মা হযরত ফাতেমা (রা.), বাবা হযরত আলী (রা.) ও নানা মহানবী হযরত মুহাম্মদের (সা.) সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কথোপকথনের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। সে সময় তারা তাকে শাহাদাতের সুসংবাদ দেন এবং বীর হিসেবে অভিহিত করেন।
অনুষ্ঠানের শেষে কারবালার শহীদদের স্মরণে বিশেষ দোয়া হয়। এতে আইনজীবী, আলেম ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মুসল্লিরা অংশ নেন।
এফএইচ/একিউএফ
What's Your Reaction?