ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে ব্যর্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র: মোহসেন রেজায়ি
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মোহসেন রেজায়ি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনায় অতিরিক্ত আশাবাদী না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে ব্যর্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তাই তারা এখন আলোচনার পথ বেছে নিয়েছে। রোববার (২১ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রেজায়ি এ মন্তব্য করেন। তিনি লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল সুইজারল্যান্ডে বৈঠকে বসেছে। বৈঠকের মূল লক্ষ্য হলো সম্প্রতি স্বাক্ষরিত তেহরান-ওয়াশিংটন সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বাস্তবায়নের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা। সাবেক ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) প্রধান কমান্ডার রেজায়ি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের শক্তির মাধ্যমে শান্তি কৌশলের মাধ্যমে ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে চেয়েছিল। কিন্তু সেই লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার পর তারা এখন বাধ্য হয়ে আলোচনার পথ বেছে নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, শত্রুপক্ষ ইতোমধ্যেই প্রমাণ করেছে যে তারা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে না। তাই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। যেকোনো ধরনের অতিরিক্ত আশাবাদকে তারা নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে পারে। ইরানের
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মোহসেন রেজায়ি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনায় অতিরিক্ত আশাবাদী না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে ব্যর্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তাই তারা এখন আলোচনার পথ বেছে নিয়েছে।
রোববার (২১ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রেজায়ি এ মন্তব্য করেন। তিনি লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল সুইজারল্যান্ডে বৈঠকে বসেছে। বৈঠকের মূল লক্ষ্য হলো সম্প্রতি স্বাক্ষরিত তেহরান-ওয়াশিংটন সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বাস্তবায়নের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা।
সাবেক ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) প্রধান কমান্ডার রেজায়ি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের শক্তির মাধ্যমে শান্তি কৌশলের মাধ্যমে ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে চেয়েছিল। কিন্তু সেই লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার পর তারা এখন বাধ্য হয়ে আলোচনার পথ বেছে নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শত্রুপক্ষ ইতোমধ্যেই প্রমাণ করেছে যে তারা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে না। তাই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। যেকোনো ধরনের অতিরিক্ত আশাবাদকে তারা নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে পারে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভার্চুয়ালি একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। ১৪ দফার ওই চুক্তিতে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে আরও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এবং কয়েকটি আঞ্চলিক দেশের সমর্থনে চূড়ান্ত হওয়া এই সমঝোতায় সব ফ্রন্টে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, ধাপে ধাপে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ৩০ দিনের মধ্যে ইরানের ওপর নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া এবং হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া চুক্তিতে ইরানের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত কমপক্ষে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল গঠন, তেল রপ্তানিতে ছাড়, জব্দকৃত ইরানি সম্পদ মুক্ত করা এবং পারমাণবিক অস্ত্র না তৈরির বিষয়ে তেহরানের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
তবে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতসহ পারমাণবিক কর্মসূচি সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ভবিষ্যৎ আলোচনার জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে।
সূত্র : প্রেস টিভি
What's Your Reaction?