কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর সংস্কার হলো সেই জলাবদ্ধ সড়ক
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া সদরের গুরুত্বপূর্ণ দীর্ঘভূমি সড়কের জলাবদ্ধ ও খানাখন্দে ভরা অংশটি অবশেষে সংস্কার করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তির শিকার হওয়া হাজারো পথচারী, শিক্ষার্থী ও যানবাহন চালকের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে এই সংস্কারের মাধ্যমে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দিনব্যাপী এ সংস্কারকাজ সম্পন্ন করে উপজেলা এলজিআরডি বিভাগ। এর আগে গত ২২ জুলাই দৈনিক কালবেলা পত্রিকার অনলাইনে ‘ব্রাহ্মণপাড়ায় বেহাল সড়কে সীমাহীন দুর্ভোগ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে উপজেলা সদর, থানা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা, বড় বড় গর্ত এবং জনদুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরা হয়। এর পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সড়কটির ক্ষতিগ্রস্ত অংশে সংস্কারকাজ সম্পন্ন করে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে থাকত। ফলে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। পানির নিচে গর্ত দেখা না যাওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটত। বিশেষ করে রোগী বহনকারী যানবাহন, শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। সরেজম
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া সদরের গুরুত্বপূর্ণ দীর্ঘভূমি সড়কের জলাবদ্ধ ও খানাখন্দে ভরা অংশটি অবশেষে সংস্কার করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তির শিকার হওয়া হাজারো পথচারী, শিক্ষার্থী ও যানবাহন চালকের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে এই সংস্কারের মাধ্যমে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দিনব্যাপী এ সংস্কারকাজ সম্পন্ন করে উপজেলা এলজিআরডি বিভাগ। এর আগে গত ২২ জুলাই দৈনিক কালবেলা পত্রিকার অনলাইনে ‘ব্রাহ্মণপাড়ায় বেহাল সড়কে সীমাহীন দুর্ভোগ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
প্রতিবেদনে উপজেলা সদর, থানা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা, বড় বড় গর্ত এবং জনদুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরা হয়। এর পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সড়কটির ক্ষতিগ্রস্ত অংশে সংস্কারকাজ সম্পন্ন করে।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে থাকত। ফলে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। পানির নিচে গর্ত দেখা না যাওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটত। বিশেষ করে রোগী বহনকারী যানবাহন, শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দীর্ঘভূমি এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত অংশে ইট-বালু ও নির্মাণসামগ্রী দিয়ে গর্ত ভরাট এবং সড়ক চলাচল উপযোগী করার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখন আগের তুলনায় স্বাভাবিকভাবে যানবাহন চলাচল করছে। এতে যানবাহনের চালক ও যাত্রী এবং স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের নিয়মিত যাত্রী মো. খোরশেদ আলম বলেন, আগে এই সড়ক পার হতে অনেক সময় লাগত। জলাবদ্ধ এই স্থানে গেলেই আতঙ্কিত হয়ে থাকতাম, কখন না দুর্ঘটনার কবলে পড়ি। বৃষ্টি হলে পানি আর গর্তের কারণে হাঁটা-চলাও কঠিন ছিল। তবে সংবাদ প্রকাশের পর দ্রুত সংস্কার হওয়ায় আমরা খুবই উপকৃত হয়েছি।
অটোরিকশাচালক মো. বাদশা মিয়া বলেন, এই রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই গাড়ির যন্ত্রাংশ নষ্ট হতো। কখনো কখনো গাড়ি উল্টেও যেত। ভয়ে যাত্রীও গাড়িতে উঠতে চাইতো না। এখন রাস্তা সংস্কার হওয়ায় ঝুঁকি কমেছে এবং আগের তুলনায় স্বাভাবিকভাবে চলাচল করা যাচ্ছে।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, আপাতত চলাচলের সমস্যা অনেকটাই কমেছে। তবে ভবিষ্যতে যেন একই স্থানে আবারও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি না হয়, সেজন্য টেকসই ড্রেনের ব্যবস্থা ও স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানাই।
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ গোলাপ ভূঁইয়া কালবেলাকে বলেন, স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগ বিবেচনায় ক্ষতিগ্রস্ত অংশে জরুরি ভিত্তিতে সংস্কারকাজ করা হয়েছে। পাশাপাশি স্থায়ী সমাধানের জন্য পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নসহ প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে এবং সড়কের ওই স্থানে আরসিসি ঢালাইয়ের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
What's Your Reaction?