কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লন্ডভন্ড গাইবান্ধা

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় হঠাৎ আঘাত হানা কালবৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে কয়েকটি ইউনিয়ন। ঝড়ের তাণ্ডবে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেল তিনটার দিকে শুরু হওয়া তীব্র দমকা হাওয়া অল্প সময়ের মধ্যেই ভয়াবহ রূপ নেয়। আকস্মিক এ ঝড়ে মুহূর্তেই বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে জনজীবন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অনেক বাড়ির টিনের চালা ঝড়ে উড়ে গিয়ে গাছের মগডালে ঝুলে আছে। কোথাও আবার পুরো ঘর উড়ে গিয়ে পাশের বাড়ির ওপর গিয়ে পড়েছে। মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের জগদীশপুর গ্রামে জতীশের নতুন নির্মিত বাড়িটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে অন্য একটি বাড়ির ওপর গিয়ে পড়ে আছে। এতে পরিবারটি খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। ঝড়ের সময় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। জগদীশপুর গ্রামের জয়নাল নামের এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘হঠাৎ দমকা হাওয়ায় কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘর উড়ে যায়। আটকানোর চেষ্টা করেও পারিনি।’ এছাড়াও ঝড়ের তাণ্ডবে বিভিন্ন স্থানে পাকা প্রাচীর ভেঙে গেছে, উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও।

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লন্ডভন্ড গাইবান্ধা
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় হঠাৎ আঘাত হানা কালবৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে কয়েকটি ইউনিয়ন। ঝড়ের তাণ্ডবে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেল তিনটার দিকে শুরু হওয়া তীব্র দমকা হাওয়া অল্প সময়ের মধ্যেই ভয়াবহ রূপ নেয়। আকস্মিক এ ঝড়ে মুহূর্তেই বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে জনজীবন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অনেক বাড়ির টিনের চালা ঝড়ে উড়ে গিয়ে গাছের মগডালে ঝুলে আছে। কোথাও আবার পুরো ঘর উড়ে গিয়ে পাশের বাড়ির ওপর গিয়ে পড়েছে। মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের জগদীশপুর গ্রামে জতীশের নতুন নির্মিত বাড়িটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে অন্য একটি বাড়ির ওপর গিয়ে পড়ে আছে। এতে পরিবারটি খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। ঝড়ের সময় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। জগদীশপুর গ্রামের জয়নাল নামের এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘হঠাৎ দমকা হাওয়ায় কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘর উড়ে যায়। আটকানোর চেষ্টা করেও পারিনি।’ এছাড়াও ঝড়ের তাণ্ডবে বিভিন্ন স্থানে পাকা প্রাচীর ভেঙে গেছে, উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও। স্থানীয়রা জানান, বিকেলের দিকে হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে আসে, এরপর শুরু হয় প্রবল দমকা হাওয়া। কয়েক মিনিটের মধ্যেই কালবৈশাখী ভয়াবহ রূপ নেয় এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটায়। বর্তমানে অনেক পরিবার খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। ক্ষতিগ্রস্তরা দ্রুত সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানার সঙ্গে মুঠফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow