কালিয়ায় জমিজমা নিয়ে হামলায় চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু

নড়াইলের কালিয়ায় জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে হামলায় গুরুতর আহত এক যুবক ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। নিহত ওই যুবকের নাম সাহাবুদ্দিন থান্দার (২৬)। তিনি উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়নের হাড়িডাঙ্গা গ্রামের এখলাছ থান্দারের ছেলে। সোমবার (২৫ মে) রাতে তার মৃত্যু হয়। তার মরদেহ হাড়িডাঙ্গা গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে এলাকায় শোক ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। স্থানীয় ও নিহতের স্বজন সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (১৮ মে) পৈতৃক জমিজমা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে সাহাবুদ্দিনের চাচাতো ভাই সিসান থান্দার ও তার সহযোগীরা সংঘবদ্ধভাবে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় বায়েজিত, তোকাসহ ৮ থেকে ১০ জন তাকে ঘিরে ফেলে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে বলে অভিযোগ ওঠে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা ও পরিবারের সদস্যরা প্রথমে তাকে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিকেল এবং সর্বশেষ উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। পরে সোমবার রাতে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌছায়। এরপর মঙ্গলবার সকালে সাহাবুদ্দিনের নামাজে জানাযা শেষে তাকে

কালিয়ায় জমিজমা নিয়ে হামলায় চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু

নড়াইলের কালিয়ায় জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে হামলায় গুরুতর আহত এক যুবক ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। নিহত ওই যুবকের নাম সাহাবুদ্দিন থান্দার (২৬)। তিনি উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়নের হাড়িডাঙ্গা গ্রামের এখলাছ থান্দারের ছেলে। সোমবার (২৫ মে) রাতে তার মৃত্যু হয়। তার মরদেহ হাড়িডাঙ্গা গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে এলাকায় শোক ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় ও নিহতের স্বজন সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (১৮ মে) পৈতৃক জমিজমা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে সাহাবুদ্দিনের চাচাতো ভাই সিসান থান্দার ও তার সহযোগীরা সংঘবদ্ধভাবে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় বায়েজিত, তোকাসহ ৮ থেকে ১০ জন তাকে ঘিরে ফেলে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে বলে অভিযোগ ওঠে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা ও পরিবারের সদস্যরা প্রথমে তাকে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিকেল এবং সর্বশেষ উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। পরে সোমবার রাতে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌছায়। এরপর মঙ্গলবার সকালে সাহাবুদ্দিনের নামাজে জানাযা শেষে তাকে দাফন করা হয়েছে।

কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.ইদ্রিস আলী জানান,“গত ১৯ মে থানায় একটি মারামারির মামলা দায়ের হয়েছে। মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।”

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow