কালীগঞ্জে ঝড়ে বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের টিনের চাল উড়ে গেছে, মেরামতে প্রয়োজন ৩০ হাজার টাকা

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ৪ নম্বর নিয়ামতপুর ইউনিয়নের মস্তবাপুর সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি পুরাতন ভবনের টিনের চাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বয়ে যাওয়া প্রচণ্ড ঝড়ে উড়ে গেছে। এতে ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটিতে বর্তমানে নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত না হলেও এটি বিদ্যালয়ের মিলনায়তন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি ভবনটি বিদ্যালয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাচীর হিসেবেও কাজ করে আসছে। ঝড়ের কারণে টিনের চাল উড়ে যাওয়ায় ভবনটি এখন আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অশোক কুমার ঘোষ জানান, ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করতে প্রায় ৩০ হাজার টাকা প্রয়োজন। কিন্তু বিদ্যালয়ের নিজস্ব তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেন, “ভবনটি আমাদের বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও সামাজিক কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া এটি বিদ্যালয়ের নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখে। প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে আমরা বেশ বিপাকে পড়েছি। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বা দাতব্য সংস্থাগুলো এগিয়ে এলে দ্রুত মেরামত কাজ সম্পন্ন ক

কালীগঞ্জে ঝড়ে বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের টিনের চাল উড়ে গেছে, মেরামতে প্রয়োজন ৩০ হাজার টাকা

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ৪ নম্বর নিয়ামতপুর ইউনিয়নের মস্তবাপুর সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি পুরাতন ভবনের টিনের চাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বয়ে যাওয়া প্রচণ্ড ঝড়ে উড়ে গেছে। এতে ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটিতে বর্তমানে নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত না হলেও এটি বিদ্যালয়ের মিলনায়তন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি ভবনটি বিদ্যালয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাচীর হিসেবেও কাজ করে আসছে। ঝড়ের কারণে টিনের চাল উড়ে যাওয়ায় ভবনটি এখন আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অশোক কুমার ঘোষ জানান, ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করতে প্রায় ৩০ হাজার টাকা প্রয়োজন। কিন্তু বিদ্যালয়ের নিজস্ব তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেন, “ভবনটি আমাদের বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও সামাজিক কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া এটি বিদ্যালয়ের নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখে। প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে আমরা বেশ বিপাকে পড়েছি। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বা দাতব্য সংস্থাগুলো এগিয়ে এলে দ্রুত মেরামত কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।” এদিকে স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল বিদ্যালয়ের ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটি দ্রুত সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের মতে, ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তাই দ্রুত সংস্কার না করা হলে ভবিষ্যতে আরও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow