কাসেম সোলাইমানির আত্মীয়দের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর পদক্ষেপ

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) সাবেক প্রধান কাসেম সোলাইমানির আত্মীয়দের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে থাকা সোলাইমানির ভাতিজি হামিদেহ সোলাইমানি আফশার এবং তার মেয়েকে শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তারা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) হেফাজতে রয়েছেন। তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। শনিবার (০৪ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, ইরানের নিহত সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলাইমানির আত্মীয়দের যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি (গ্রিন কার্ড) বাতিল করা হয়েছে। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং পারিবারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে শাস্তি দেওয়ার প্রশ্নে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আফশার ইরানের সরকারের একজন ‘প্রকাশ্য সমর্থক’ এবং তিনি যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী মন্তব্য করেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান তুলে ধরে বলা হয়, যেসব বিদেশি নাগরিক সন্ত্রাসী বা যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী শাসনব্যবস্থাকে সমর্থন করে,

কাসেম সোলাইমানির আত্মীয়দের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর পদক্ষেপ

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) সাবেক প্রধান কাসেম সোলাইমানির আত্মীয়দের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে থাকা সোলাইমানির ভাতিজি হামিদেহ সোলাইমানি আফশার এবং তার মেয়েকে শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তারা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) হেফাজতে রয়েছেন। তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

শনিবার (০৪ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, ইরানের নিহত সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলাইমানির আত্মীয়দের যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি (গ্রিন কার্ড) বাতিল করা হয়েছে। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং পারিবারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে শাস্তি দেওয়ার প্রশ্নে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আফশার ইরানের সরকারের একজন ‘প্রকাশ্য সমর্থক’ এবং তিনি যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী মন্তব্য করেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান তুলে ধরে বলা হয়, যেসব বিদেশি নাগরিক সন্ত্রাসী বা যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী শাসনব্যবস্থাকে সমর্থন করে, তাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র নিরাপদ আশ্রয়স্থল হতে পারে না।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সোলাইমানির মেয়ে জয়নব সোলাইমানি। তিনি বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া নারীদের সঙ্গে তাদের পরিবারের কোনো সম্পর্ক নেই এবং মার্কিন সরকারের দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা।

উল্লেখ্য, কাসেম সোলাইমানি ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাগদাদে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের পদক্ষেপ বাড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ মাসেই আরও এক ঘটনায়, ইরানের প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আলি লারিজানির কন্যা ফাতেমেহ আরদেশির-লারিজানির মার্কিন বসবাসের অনুমতিও বাতিল করা হয়। তার বিরুদ্ধেও পারিবারিক সম্পর্কের কারণে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow