কিভাবে উদ্ধার হলো সেই মার্কিন ক্রু সদস্য, জানালেন চাঞ্চল্যকর তথ্য
ইরানে ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে উদ্ধারের পেছনে লুকিয়ে থাকা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন প্রশাসন। দুই দিন ধরে ইরানি কর্তৃপক্ষের নজর এড়িয়ে অবস্থান করা ওই ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করতে যুক্তরাষ্ট্রের শতাধিক স্পেশাল অপারেশনস টিম এবং বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত ডজনখানেক বিমান ব্যবহার করা হয়। Al Jazeera-এর প্রতিবেদক জন হেনড্রেন জানাচ্ছেন, উদ্ধার অভিযানটি অন্ধকারে শুরু হলেও শেষ হয় দিনের আলোয়। দুই দিন নিখোঁজ থাকা ক্রু সদস্য সম্ভবত জঙ্গলের মধ্যে বা স্থলভিত্তিক কোনো এলাকায় লুকিয়ে ছিলেন। মার্কিন বাহিনী তার অবস্থান নজরদারি করে, এবং উদ্ধারকালে তীব্র গোলাগুলি হলেও সেই মধ্যেই তাকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া কর্মকর্তা একজন অস্ত্র ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা (weapons officer) এবং পদমর্যাদা কর্নেল। ট্রাম্প বলেন, “উদ্ধারের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রে সজ্জিত ডজনখানেক বিমান ব্যবহার করা হয়েছিল। তিনি আহত হয়েছেন, তবে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবেন।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, “এই দুটি উদ্ধার অভিযান সম্পন্ন হয়েছে কো
ইরানে ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে উদ্ধারের পেছনে লুকিয়ে থাকা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন প্রশাসন। দুই দিন ধরে ইরানি কর্তৃপক্ষের নজর এড়িয়ে অবস্থান করা ওই ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করতে যুক্তরাষ্ট্রের শতাধিক স্পেশাল অপারেশনস টিম এবং বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত ডজনখানেক বিমান ব্যবহার করা হয়।
Al Jazeera-এর প্রতিবেদক জন হেনড্রেন জানাচ্ছেন, উদ্ধার অভিযানটি অন্ধকারে শুরু হলেও শেষ হয় দিনের আলোয়। দুই দিন নিখোঁজ থাকা ক্রু সদস্য সম্ভবত জঙ্গলের মধ্যে বা স্থলভিত্তিক কোনো এলাকায় লুকিয়ে ছিলেন। মার্কিন বাহিনী তার অবস্থান নজরদারি করে, এবং উদ্ধারকালে তীব্র গোলাগুলি হলেও সেই মধ্যেই তাকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া কর্মকর্তা একজন অস্ত্র ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা (weapons officer) এবং পদমর্যাদা কর্নেল। ট্রাম্প বলেন, “উদ্ধারের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রে সজ্জিত ডজনখানেক বিমান ব্যবহার করা হয়েছিল। তিনি আহত হয়েছেন, তবে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবেন।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “এই দুটি উদ্ধার অভিযান সম্পন্ন হয়েছে কোনো মার্কিন সেনা নিহত বা আহত ছাড়াই। এটি প্রমাণ করে যে, ইরানের আকাশে আমাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”
উদ্ধার অভিযানে মার্কিন পক্ষের শতাধিক স্পেশাল ফোর্সেস সেনা ঝুঁকি নিয়েছিলেন। “এয়ারম্যান” শব্দটি মার্কিন সামরিক পরিভাষায় লিঙ্গনিরপেক্ষ, তাই উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির লিঙ্গ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
অন্যদিকে, ক্রু সদস্যের উদ্ধারের বিষয়ে এখনও ইরানি কর্তৃপক্ষ কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করেনি। Al Jazeera-এর প্রতিবেদক মোহামেদ ভ্যাল জানাচ্ছেন, পুরো রাত জুড়ে দেহদাশ্ত শহরে সংঘর্ষের খবর এবং কয়েকটি বিমান হামলার রিপোর্ট পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন বলে পূর্বে জানা যায়। তবে পরে অননুমোদিত রিপোর্টে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, নিহতের সংখ্যা চারজনের বেশি হতে পারে।
রাতভর চলা এই অভিযান ইঙ্গিত দেয় যে, মার্কিন পক্ষের উদ্ধার অভিযান যথেষ্ট জটিল এবং ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা নিশ্চিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
এই অভিযান মার্কিন বিশেষ বাহিনীর দক্ষতা এবং জটিল অপারেশনে তাদের সক্ষমতার একটি প্রতিচ্ছবি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
What's Your Reaction?