কুমিল্লায় অস্ত্রসহ তিন ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় ছিনতাইয়ের প্রস্তুতির সময় দেশীয় অস্ত্রসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১ সিপিসি-২ এর দল। মঙ্গলবার রাতে আদর্শ সদর উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকায় থেকে গ্রেফতার করেছে। এ সময় র‌্যাব দুটি চাপাতি ও একটি দুই মুখী চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়। র‌্যাব-১১ সিপিসি-২ এর কম্পানি অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গ্রেপ্তাররা হলেন—গোবিন্দপুর এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে রুবেল (২৪), ধর্মপুর এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে সেলিম (২৪) এবং বাজড্ডা এলাকার মৃত মতিন মিয়ার ছেলে ইউসুফ (২৬)। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি ও ছিনতাইয়ের একাধিক মামলা রয়েছে। র‌্যাব জানায়, জেলার বিভিন্ন স্থানে চলমান দিনব্যাপী অভিযানের অংশ হিসেবে ২৮ এপ্রিল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোবিন্দপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ছিনতাইয়ের প্রস্তুতির সময় তিনজনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছে। মেজর সাদমান ইবনে আলম বলেন, “চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়

কুমিল্লায় অস্ত্রসহ তিন ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় ছিনতাইয়ের প্রস্তুতির সময় দেশীয় অস্ত্রসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১ সিপিসি-২ এর দল। মঙ্গলবার রাতে আদর্শ সদর উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকায় থেকে গ্রেফতার করেছে।

এ সময় র‌্যাব দুটি চাপাতি ও একটি দুই মুখী চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়। র‌্যাব-১১ সিপিসি-২ এর কম্পানি অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তাররা হলেন—গোবিন্দপুর এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে রুবেল (২৪), ধর্মপুর এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে সেলিম (২৪) এবং বাজড্ডা এলাকার মৃত মতিন মিয়ার ছেলে ইউসুফ (২৬)। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি ও ছিনতাইয়ের একাধিক মামলা রয়েছে।

র‌্যাব জানায়, জেলার বিভিন্ন স্থানে চলমান দিনব্যাপী অভিযানের অংশ হিসেবে ২৮ এপ্রিল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোবিন্দপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ছিনতাইয়ের প্রস্তুতির সময় তিনজনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছে।

মেজর সাদমান ইবনে আলম বলেন, “চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow