কুমিল্লায় খালে পড়ে শিশুর মৃত্যু, উদ্ধার হলো মরদেহ

কুমিল্লায় বাঁশের সাঁকো পার হতে গিয়ে খালে পড়ে নিখোঁজ হওয়া সাত বছরের শিশু মো. সজীবের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। মঙ্গলবার দুপুরে জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের বেজুরা পশ্চিমপাড়া শ্মশানখলা খালে সাড়ে চার ঘণ্টা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহত সজীব উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের গোপালনগর গ্রামের পূর্ব উত্তরপাড়া এলাকার ওজাকাজীর বাড়ির বাসিন্দা মো. শরীফ মিয়ার ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে একটি মামলা-সংক্রান্ত কাজে সজীবের বাবা কুমিল্লা আদালতে যান। একই সময়ে অসুস্থ হয়ে সজীবের মা রোজিনা বেগম ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ছিলেন। এ কারণে পরিবারের সদস্যরা সজীবকে পাশের বেজুরা পশ্চিমপাড়া এলাকায় তার ফুফুর বাড়িতে রেখে যান। সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে সজীব ফুফুর বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাঁশের সাঁকো পার হয়ে রাস্তায় যাওয়ার সময় খালে পড়ে যায়। বিষয়টি প্রথমে কেউ টের পাননি। পরে দাদি হাসপাতাল থেকে ফিরে এসে সজীবকে না দেখে আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে খালের পানিতে সজীবের একটি জুতা ভাসতে দেখে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন খালে নেমে দীর্ঘ সময়

কুমিল্লায় খালে পড়ে শিশুর মৃত্যু, উদ্ধার হলো মরদেহ

কুমিল্লায় বাঁশের সাঁকো পার হতে গিয়ে খালে পড়ে নিখোঁজ হওয়া সাত বছরের শিশু মো. সজীবের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। মঙ্গলবার দুপুরে জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের বেজুরা পশ্চিমপাড়া শ্মশানখলা খালে সাড়ে চার ঘণ্টা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সজীব উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের গোপালনগর গ্রামের পূর্ব উত্তরপাড়া এলাকার ওজাকাজীর বাড়ির বাসিন্দা মো. শরীফ মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে একটি মামলা-সংক্রান্ত কাজে সজীবের বাবা কুমিল্লা আদালতে যান। একই সময়ে অসুস্থ হয়ে সজীবের মা রোজিনা বেগম ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ছিলেন। এ কারণে পরিবারের সদস্যরা সজীবকে পাশের বেজুরা পশ্চিমপাড়া এলাকায় তার ফুফুর বাড়িতে রেখে যান। সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে সজীব ফুফুর বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাঁশের সাঁকো পার হয়ে রাস্তায় যাওয়ার সময় খালে পড়ে যায়। বিষয়টি প্রথমে কেউ টের পাননি। পরে দাদি হাসপাতাল থেকে ফিরে এসে সজীবকে না দেখে আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

একপর্যায়ে খালের পানিতে সজীবের একটি জুতা ভাসতে দেখে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন খালে নেমে দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে বুড়িচং ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টার পর দুপুর ১টার দিকে সাঁকো থেকে প্রায় ৫০ গজ দূরে খালের পানির নিচ থেকে সজীবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির উপস্থিতিতে মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা রোজিনা বেগম ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। সন্তানের নিথর দেহ দেখে তিনি বারবার মূর্ছা যান। স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকা ভারী হয়ে ওঠে।

বুড়িচং ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দলনেতা আতাউর রহমান বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় পানির নিচ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন, `বাঁশের সাঁকো পার হওয়ার সময় দুর্ঘটনাবশত শিশুটি খালে পড়ে যায়। স্থানীয়রা অনেক চেষ্টা করেও তাকে উদ্ধার করতে পারেননি। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে মরদেহ উদ্ধার করে।`

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow