কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় একই পরিবারের চারজনসহ নিহত ৫

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচংয়ে বাসের ধাক্কায় আরও একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো পাঁচজনে। তারা হলেন প্রাইভেটকারে থাকা দুই সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রী এবং চালক। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টার দিকে মহাসড়কের উপজেলার কালাকচুয়া এলাকার মিয়ামি হোটেলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ময়নামতি হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মোমিন জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন নোয়াখালী সোনাইমুড়ি উপজেলার ছাতারপাইয়া এলাকার বাসিন্দা ও জামিয়া মোহাম্মদীয়া আরাবিয়ার শাইখুল হাদিস শিক্ষক মুফতি আব্দুল মোমিন (৫০), তার স্ত্রী ঝর্না বেগম (৪০), মেয়ে লাবিবা (১৯) ও ছেলে সাঈদ আশ্রাফ (৭) এবং প্রাইভেটকারচালক জামাল হোসেন (৫২)। জামাল বরিশালের বাসিন্দা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে ফেনীগামী স্টারলাইন পরিবহনের একটি বাস প্রাইভেটকাটিকে ধাক্কা দিলে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকারচালক নিহত হন। এ ঘটনায় মুমূর্ষু অবস্থায় প্রাইভেটকারের থাকা চারজনকে ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে মুফতি আব্দুল মোমিন, তার স্ত্রী ও মেয়ে মারা যান। আহত

কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় একই পরিবারের চারজনসহ নিহত ৫

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচংয়ে বাসের ধাক্কায় আরও একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো পাঁচজনে। তারা হলেন প্রাইভেটকারে থাকা দুই সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রী এবং চালক।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টার দিকে মহাসড়কের উপজেলার কালাকচুয়া এলাকার মিয়ামি হোটেলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ময়নামতি হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মোমিন জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন নোয়াখালী সোনাইমুড়ি উপজেলার ছাতারপাইয়া এলাকার বাসিন্দা ও জামিয়া মোহাম্মদীয়া আরাবিয়ার শাইখুল হাদিস শিক্ষক মুফতি আব্দুল মোমিন (৫০), তার স্ত্রী ঝর্না বেগম (৪০), মেয়ে লাবিবা (১৯) ও ছেলে সাঈদ আশ্রাফ (৭) এবং প্রাইভেটকারচালক জামাল হোসেন (৫২)। জামাল বরিশালের বাসিন্দা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে ফেনীগামী স্টারলাইন পরিবহনের একটি বাস প্রাইভেটকাটিকে ধাক্কা দিলে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকারচালক নিহত হন। এ ঘটনায় মুমূর্ষু অবস্থায় প্রাইভেটকারের থাকা চারজনকে ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে মুফতি আব্দুল মোমিন, তার স্ত্রী ও মেয়ে মারা যান। আহত ছেলে সাঈদ আশ্রাফকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।

ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোমেন বলেন, খবর পেয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেটকার ও বাসটিকে জব্দ করা হয়েছে। তবে বাসের চালক ও হেলপার কাউকে আটক করা যায়নি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

জাহিদ পাটোয়ারী/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow