কুমিল্লায় মাদক কারবারিকে ধরিয়ে দিলে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে মাদকসেবী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পুরস্কারের ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী, কোনো মাদকসেবীকে ধরিয়ে দিলে ৫ হাজার টাকা এবং মাদক কারবারিকে ধরিয়ে দিলে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) উপজেলার পারুয়ারা যুবশক্তি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এক মাদকবিরোধী সেমিনারে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। বক্তারা বলেন, সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। কেউ প্রমাণসহ মাদকসেবী বা মাদক কারবারিকে শনাক্ত করে ধরিয়ে দিলে তাকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করা হবে। পাশাপাশি কেউ যদি স্বেচ্ছায় মাদক ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান, তাহলে তাকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বক্তারা আরও বলেন, কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য হাজী জসিম উদ্দিন মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন এবং সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছেন। তার এ উদ্যোগকে সফল করতে স্থানীয় পর্যায়ে সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তারা। এদিকে যুবশক্তি ফাউন্ডেশনের এমন ঘোষণায় এলাকায় ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, এই

কুমিল্লায় মাদক কারবারিকে ধরিয়ে দিলে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে মাদকসেবী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পুরস্কারের ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী, কোনো মাদকসেবীকে ধরিয়ে দিলে ৫ হাজার টাকা এবং মাদক কারবারিকে ধরিয়ে দিলে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) উপজেলার পারুয়ারা যুবশক্তি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এক মাদকবিরোধী সেমিনারে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

বক্তারা বলেন, সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। কেউ প্রমাণসহ মাদকসেবী বা মাদক কারবারিকে শনাক্ত করে ধরিয়ে দিলে তাকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করা হবে। পাশাপাশি কেউ যদি স্বেচ্ছায় মাদক ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান, তাহলে তাকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বক্তারা আরও বলেন, কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য হাজী জসিম উদ্দিন মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন এবং সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছেন। তার এ উদ্যোগকে সফল করতে স্থানীয় পর্যায়ে সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তারা।

এদিকে যুবশক্তি ফাউন্ডেশনের এমন ঘোষণায় এলাকায় ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে সমাজ থেকে মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের বিস্তার অনেকটাই কমে আসবে।

মাদকবিরোধী সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন যুবশক্তি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা আব্দুল ওয়াদুদ মাস্টার। সঞ্চালনা করেন ডা. জসিম উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য দেন ফাউন্ডেশনের প্রধান পরিচালক আলমগীর হোসেন ভুঁইয়া।

এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক সদস্য কামাল হোসেন, লোকমান হোসেন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল মতিন সোহাগ, উপদেষ্টা জহিরুল কাইয়ুম, জাহাঙ্গীর ভুঁইয়া, দেলোয়ার হোসেন, মোসলেহ উদ্দিন, জাকির ভুঁইয়া, আবুল কালাম, হাজী সেলিম, আব্দুল হক হুজুর এবং পারুয়ারা কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম আব্দুল আজিজ প্রমুখ।

জাহিদ পাটোয়ারী/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow