কুমিল্লা বড় ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

কুমিল্লা বড় ভাইকে কুপিয়ে হত্যা হাবিবুর রহমান খান কুমিল্লা প্রতিনিধি কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মানিক মিয়া (৪২) কেশবপুর গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল হক নিহতের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় মানিক মিয়া ও তার ছোট ভাই রাজিব মিয়ার মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের জেরে রাজিব মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে বড় ভাইকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন এবং হাতে থাকা কোদাল দিয়ে তার গলার বাম পাশে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। এতে গুরুতর জখম হয়ে ঘটনাস্থলেই মানিক মিয়ার রক্তক্ষরণ শুরু হয়। স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় মানিক মিয়াকে দ্রুত উদ্ধার করে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার আকস্মিকতায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। খবর পেয়ে তিতাস থানা পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে

কুমিল্লা বড় ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

কুমিল্লা বড় ভাইকে কুপিয়ে হত্যা হাবিবুর রহমান খান কুমিল্লা প্রতিনিধি কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মানিক মিয়া (৪২) কেশবপুর গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল হক নিহতের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় মানিক মিয়া ও তার ছোট ভাই রাজিব মিয়ার মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়।

একপর্যায়ে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের জেরে রাজিব মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে বড় ভাইকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন এবং হাতে থাকা কোদাল দিয়ে তার গলার বাম পাশে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। এতে গুরুতর জখম হয়ে ঘটনাস্থলেই মানিক মিয়ার রক্তক্ষরণ শুরু হয়।

স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় মানিক মিয়াকে দ্রুত উদ্ধার করে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার আকস্মিকতায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। খবর পেয়ে তিতাস থানা পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মরদেহ থানায় নিয়ে আসে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন।

তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মমিনুল হক জানান, ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে বড় ভাইয়ের নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরপরই পুলিশি তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। অভিযুক্ত রাজিব মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েচে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow