কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশের ওপর হামলা ও পিকআপ ভাঙচুর: গ্রেপ্তার ১৯

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় হাইওয়ে পুলিশের একটি টিমের ওপর হামলা ও পুলিশের পিকআপ ভাঙচুরের ঘটনায় ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দুই পুলিশ সদস্য। ঘটনার পর জেলা পুলিশের নির্দেশনায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও বুড়িচং থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে। বুধবার (১০ জুন) দুপুর সাড়ে ৩টায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কুমিল্লার পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান। তিনি বলেন, মহাসড়কে দায়িত্ব পালনকালে উল্টো পথে চলাচলের দায়ে একটি অটোরিকশা আটক করে হাইওয়ে পুলিশ। এ সময় অটোরিকশা চালক ও স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে পুলিশের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। তিনি জানান, একপর্যায়ে অটোরিকশা চালকের ডাকচিৎকারে ১০০ থেকে ১৫০ জনের একটি দল ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় কনস্টেবল ইউসুফ আলী ও রাব্বি ইসলাম আহত হন। একই সঙ্গে পুলিশের একটি পিকআপ ভাঙচুর করে ক্ষতিসাধন করা হয়। পুলিশ সুপার আরও বলেন, ঘটনার পরপরই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে অ

কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশের ওপর হামলা ও পিকআপ ভাঙচুর: গ্রেপ্তার ১৯

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় হাইওয়ে পুলিশের একটি টিমের ওপর হামলা ও পুলিশের পিকআপ ভাঙচুরের ঘটনায় ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দুই পুলিশ সদস্য।

ঘটনার পর জেলা পুলিশের নির্দেশনায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও বুড়িচং থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে। বুধবার (১০ জুন) দুপুর সাড়ে ৩টায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কুমিল্লার পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান। তিনি বলেন, মহাসড়কে দায়িত্ব পালনকালে উল্টো পথে চলাচলের দায়ে একটি অটোরিকশা আটক করে হাইওয়ে পুলিশ।

এ সময় অটোরিকশা চালক ও স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে পুলিশের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। তিনি জানান, একপর্যায়ে অটোরিকশা চালকের ডাকচিৎকারে ১০০ থেকে ১৫০ জনের একটি দল ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় কনস্টেবল ইউসুফ আলী ও রাব্বি ইসলাম আহত হন।

একই সঙ্গে পুলিশের একটি পিকআপ ভাঙচুর করে ক্ষতিসাধন করা হয়। পুলিশ সুপার আরও বলেন, ঘটনার পরপরই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। পরে ডিবি ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে পরিচালিত অভিযানে ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং হামলার ঘটনায় জড়িত অন্যদেরও শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, মহাসড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালনরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা কিংবা সরকারি সম্পদের ক্ষতিসাধনের ঘটনায় জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow