কুয়েতে বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা: আহত ৫ বাংলাদেশির পাশে রাষ্ট্রদূত
কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় আহত পাঁচজন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। বুধবার (৩ জুন) ভোরের এই হামলায় বিমানবন্দরের ১ নম্বর টার্মিনাল ভবনটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হামলায় একজন ভারতীয় নাগরিক নিহত এবং অন্তত ৬৩ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে বিমানবন্দর কর্মী, যাত্রী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন। আহত বাংলাদেশি প্রবাসীদের খোঁজখবর নিতে এবং তাদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে দ্রুত হাসপাতালে ছুটে যান কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন। তিনি চিকিৎসাধীন প্রবাসীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। আহতরা হলেন- শারমিন আখতার (মানিকগঞ্জ), বর্তমানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। মো. রাসেল শেখ (ফরিদপুর) চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। মো. খলিল গাজী (সাতক্ষীরা) বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শিরিন আখতার (পটুয়াখালী) ও মো. শরিফুল ইসলাম (ধামরাই, ঢাকা) প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে এরই মধ্যে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন। চিকিৎসকদের উদ্ধৃতি দিয়ে দূতাবাস জানিয়েছে, চিকিৎসাধীন বাংলাদেশিরা বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত এবং তাদের নিবিড় তত
কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় আহত পাঁচজন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। বুধবার (৩ জুন) ভোরের এই হামলায় বিমানবন্দরের ১ নম্বর টার্মিনাল ভবনটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
হামলায় একজন ভারতীয় নাগরিক নিহত এবং অন্তত ৬৩ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে বিমানবন্দর কর্মী, যাত্রী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন।
আহত বাংলাদেশি প্রবাসীদের খোঁজখবর নিতে এবং তাদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে দ্রুত হাসপাতালে ছুটে যান কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন। তিনি চিকিৎসাধীন প্রবাসীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
আহতরা হলেন- শারমিন আখতার (মানিকগঞ্জ), বর্তমানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। মো. রাসেল শেখ (ফরিদপুর) চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। মো. খলিল গাজী (সাতক্ষীরা) বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শিরিন আখতার (পটুয়াখালী) ও মো. শরিফুল ইসলাম (ধামরাই, ঢাকা) প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে এরই মধ্যে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন।
চিকিৎসকদের উদ্ধৃতি দিয়ে দূতাবাস জানিয়েছে, চিকিৎসাধীন বাংলাদেশিরা বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত এবং তাদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে।
হাসপাতাল পরিদর্শনের পর রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন বলেন, আহত বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সার্বিক সহায়তা নিশ্চিত করতে কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। প্রবাসীদের যে কোনো সংকটে দূতাবাস পাশে থাকবে।
দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হওয়ার মাত্র একদিন পরই এই হামলার ঘটনা ঘটলো। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ১ নম্বর টার্মিনাল থেকে সবধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে বিকল্প হিসেবে ৪ নম্বর টার্মিনাল থেকে ‘কুয়েত এয়ারওয়েজ’ এবং ৫ নম্বর টার্মিনাল থেকে ‘জাজিরা এয়ারওয়েজ’ তাদের ফ্লাইট পরিচালনা করছে। প্রধান টার্মিনালটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী স্থানীয় নাগরিক ও বিভিন্ন দেশের প্রবাসী যাত্রীদের চাপ এখন এই দুটি এয়ারলাইন্সের ওপর গিয়ে পড়েছে।
যাত্রী চাহিদার তুলনায় আসন সংখ্যা সীমিত থাকায় পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিমানের টিকিটের ভাড়া, যার ফলে কুয়েতগামী ও কুয়েত প্রবাসী যাত্রীরা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন।
এমআরএম
What's Your Reaction?